Saturday, April 17, 2021

 বোকা লোকদের চেনার উপায় বা লক্ষন -bd express | বিডি এক্সপ্রেস

বোকা লোকদের চেনার উপায় বা লক্ষন bd-express.top
বোকা লোকদের চেনার উপায় বা লক্ষন

বোকা লোকদের চেনার উপায় বা লক্ষন


বোকা লোক বা যে লোক কিচ্ছু বুঝে-ও বুঝে না। 
আর এমন লোকদের চেনার কিছু উপায়, নিচে দেওয়া হলো। 

বোকা মানুষ চেনার প্রথম লক্ষন

আপনি কি জানেন বোকা লোকদের প্রথম এবং সব থেকে বড় লক্ষণ হলো, একই কাজ বারবার করা কিন্তু প্রতিবার নতুন কিছু ফল পাবার আশা করা । আপনি কি এরকম কাউকে চেনেন ? যে প্রতিবার পরিক্ষার রুটিন দেওয়ার পর পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে শেষের তিন চার দিন খাওয়া ঘুম সব উড়িয়ে দিয়ে, দিন রাত করে ভালো রেজাল্ট করার চেষ্টা করে । আর এই সময়ই প্রতিবার সে এটা প্রতিজ্ঞা করে যে, পরের বার সে একদম বছরের শুরু থেকেই একটু একটু করে রোজ পড়বে, যাতে শেষ মুহূর্তে এসে তাকে নাকে, মুখে এক করে পড়তে না হয় । কিন্তু পরীক্ষাটা শেষ হয়ে যাওয়ার পর, পরের বছর আবার সেই অবস্থায় রয়ে যায়। সারা বছর গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়ানোর পর । সেই আবার রুটিন দেওয়ার পর শেষে তিন চার দিন খাওয়া ঘুম উড়িয়ে পড়াশোনা করে ভালো রেজাল্ট করার চেষ্টা করা । 

বোকা মানুষ কাকে বলে ? 

সে কিন্তু নিজেও জানে যে এভাবে শেষে তিন চার দিন পরে ভালো রেজাল্ট করা যায় না । তার জন্য সারা বছর একটু হলেও নিয়মিত পড়তে হয় । কিন্তু তবু বোকার মতো বার বার সে একই কাজ করে চলে । কিন্তু প্রতিবার নতুন ফল আশা করে । আচ্ছা আপনি কি এরকম কাউকে চেনেন ? যে কিছুদিন পর পরই সোশ্যাল মিডিয়া অচেনা কারোর সাথে দিনরাত এক করে চ্যাটিং করতে করতে তার প্রেমে পরে গিয়ে আকাশ পাতাল স্বপ্ন দেখতে শুরু করে । আর তারপর কিছুদিন পর যখন তার সেই স্বপ্নটা ভেঙে যায় তখন সে বুঝতে পারে , যে হুট করে অচেনা একজন মানুষকে বিশ্বাস করে তাকে নিয়ে এত কিছু ভেবে ফেলাটা ঠিক হয়নি । কিন্তু কয়েকদিন পর আবার সেই একই কাজ করে চলে । আবার নতুন একজন জোটে, আর সেভাবে, এবার সেরকম কিছু হবে না । কিন্তু আগের মতোই কিছু হয় ।


 কিন্তু তবু সে নিজেকে শুধরে নিতে পারে না । 

অর্থাৎ বোকার মতো বার বার সে একই কাজ করে চলে । কিন্তু প্রতিবার নতুন ফল আশা করে । 


দ্বিতীয় লক্ষণ, বোকা লোকদের চেনার উপায় বা লক্ষন

 বোকা লোকদের দ্বিতীয় সব থেকে বড় লক্ষণ হলো সকল 

ক্ষেত্রেই বলে যে৷, আরে ভাই আমার সব জানা আছে । আপনি কি এরকম কাউকে চেনেন ? যেমনঃ আপনি পৃথিবীর যে বিষয় নিয়ে কিছু বলতে যাবেন না কেনো সে আপনাকে এরকম একটা হাফ ভাব দেখাবে যে , সেই বিষয়ে অলরেডি আপনার থেকে অন্তত বেশি জানে । উদাহরণ স্বরূপ বলতে,  একজন লোক হয়তো তার টাকা পয়সা বাজে ভাবে খরচ করে । আর তাই ইনভেস্ট করার ভালো কোনো একটা শেয়ার মার্কেট খুঁজছে । কিন্তু সে শেয়ার মার্কেট সম্পর্কে কোনো ধারণায় নেই। 

আপনি তাকে সাহায্য করার জন্য যদি তাকে কিছু বলতে গেলেন , এবার সে কিন্তু শেয়ার মার্কেটের ব্যাপারে কোন বই পড়া তো দূরে থাক শেয়ার মার্কেট কিভাবে কাজ করে  ? সেই ব্যাপারেও পরিষ্কারভাবে জানে না ।  কিন্তু আপনি কিছু বলার আগেই সে বলতে শুরু করে আরে আমি এই টা জানি ঐ টা জানি। আমায় শেখানো লাগবে না, কোনো সাহায্য করা লাগবে না । নিজের চক্রায় নিজে তেল দেও। 


কারা বা কোন মানুষ বোকা ? 

সত্য কথা এটাই যে, ষোল আনা যে প্রকৃত জ্ঞানী ব্যক্তি তার মধ্যে আপনি কখনো অহংকারের লেশমাত্র খুঁজে পাবেন না । কারণ যে প্রকৃত জ্ঞানী ব্যক্তি সে জানে যে তার জ্ঞান আসলে কতটা সীমিত ।  ঠিক এই কারণেই স্যার আইজ্যাক নিউটন বলেছিলেন যে, " আমি যা জানি তা যদি আকারে একটা জলবিন্দুর সমান হয় তবে, আমি যা জানি না তা হল আকারে সমুদ্রের সমান "।  


বোকা লোক চেনার তৃতীয় লক্ষণ

 বোকা লোকদের তৃতীয় লক্ষণটা হলো, প্রশ্ন না করে অন্ধের মতো বিশ্বাস করা । এমন লোকদের যে যা বলে সে এক কথায় বিশ্বাস করে নেয় । কখনো প্রশ্ন করে একটা সত্যতা যাচাই করার কষ্ট করে দেখে না । উদাহরণ স্বরূপ একজন লোক সে হয়তো দাড়ি না গজানোর সমস্যায় ভুগছে । তো তাকে কেউ একটা বললো যে এই তেলটা ব্যবহার করলে মাত্র এক সপ্তাহে দাড়ি গজিয়ে যাবে ।  আর সেও সাথে সাথে তেল কিনে নিয়ে এসে ব্যবহার শুরু করে দিলো । তেলটা কেনার আগে তেলটার গায়ে যে কিছু  লেখা আছে মানে তেলটা যে,  কি কি দিয়ে তৈরি সেগুলো আদৌ দাড়ি গজাতে সাহায্য করে কিনা তার কোনো scientific evidence আছে কিনা এসব কিছু জানার জন্য সামান্য উপযুক্ত প্রমাণ করার কষ্ট টুকুও সে করলো না । 


কোন মানুষ বোকা কিছুই বুঝে না

কেউ একজন বলল আর সাথে সাথে অন্ধের মত বিশ্বাস করে ব্যবহার  শুরু করে দিল । আর এক সপ্তাহ পরে তার দাঁড়ি হয়তো গজালো না, কিন্তু মুখে গোটা গোটা  ব্রণ ঠিক গজিয়ে গেল । বা তার কোন  বন্ধু এসে হয়তো তাকে বুদ্ধি দিল এই প্ল্যাটফর্ম এ টাকা লাগা, ছয় মাসের মধ্যে  ডবল টাকা ফেরত পাবি ১০০% গ্যারান্টি।  আর সে তার বন্ধুর কথায় বিশ্বাস করে ঐ প্ল্যাটফর্ম এর ব্যাপারে কোনো কিছু না জেনে বা কোন খোঁজ খবর না নিয়ে, এমনকি অফারটার ডকুমেন্ট টাও একবারের জন্যও চোখ বুলিয়ে না পড়ে, সাথে সাথে নিজের কাছে জমানো যত টাকা ছিল সব টাকা সেই প্ল্যাটফর্ম টাতে ইনভেস্ট করল  ।  তারপর ছমাস পর জানতে পারলো টাকা ডবল তো দূরে থাক পুরো টাকা সহ প্ল্যাটফর্ম টি গুম হয়ে গেছে । 

আমাদের আরেকটি সাইটে পড়ুন;  অনুপ্রেরণার গল্প 

 এভাবে বোকার মতো নিজের সেই  বন্ধুর কথায় অন্ধের মত বিশ্বাস করে সে নিজের সমস্ত জমানো টাকা হারালো


যদি এই ব্লগ টি তোমার কাছে  ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবে। আর শেয়ার করতে ভুলবেন না।


আমাদের আরও একটি সাইট; WeBangali.Com

Wednesday, April 14, 2021

শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা ও সফল হবার পাঁচটি উপায়(Recommended) Success Story Bangla - BD Express

 সফল ও অনুপ্রেরণার গল্প - Success Story Bengali


শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা ও সফল হবার পাঁচটি উপায়(Recommended) Success Story Bangla - BD Express
শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা ও সফল হবার পাঁচটি উপায়

আজ আমি পাঁচটা সফল হওয়ার উপায় তোমাদের সাথে শেয়ার করব! 

এক নাম্বার ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলা

 ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলা এমন একটা শব্দ যেটা আমাদের সফলতা  এর ভিত তৈরী করে । যেকোনো সফল মানুষকে দেখে নাও, সে বড় ব্যাবসায়ী হোক কিংবা বড় খেলোয়াড় ,বা  বড় আর্টিস্ট বা কোনো টপার  হোক না কেন। সে তার লাইফ এ একটা ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলা অবশ্যই অনুসরণ করে । আর এই ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলা শুধুমাত্র সফলতার ভিত তৈরী করে না, বরং সফল হয়ে যাওয়ার পরে সেটাকে ধরে রাখতেও অনেক সাহায্য করে । এরকমও অনেক উদাহরণ আছে । যারা সফল হয়ে যাবার পরে লাইফ এ শুধুমাত্র ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলা এর অভাবে আবার সব কিছু হারিয়ে ফেলেছে । 


সকালে ঘুম থেকে টাইম এ ওঠেএবং সবাই সবার ধর্মীয় কাজ শেরে, ব্যায়াম বা শরীর চর্চা করা হোক । কিংবা আজকের কাজ আজকেই করব এই মন মানষিক নিজের মধ্যে ধরে রাখা হোক । এই সবকিছুই কিন্তু ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলা এর মধ্যেই পড়ে । একটা ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলা জীবন এর মধ্যে এছাড়াও আরও অনেক কিছু পরে । যেগুলো তোমরা আশা করি প্রত্যেকেই জানো । তাই যে মানুষ তার নিজের লাইফে ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলা থাকে । তার সফল হওয়ার চান্স এবং সফলতা ধরে রাখার চান্স এই দুটোই কিন্তু অন্যদের থেকে একটু হলেও বেড়ে যায় । এবার বলি

দুই নাম্বার বলতে না পারার ক্ষমতা 

সফল হতে চাইলে কিন্তু আমাদের অনেক ক্ষেত্রে না বলতে শিখতে হয় । সবার আগে দুটো জিনিস আমাদের মনে রাখতে হবে । তার মধ্যে একটা জিনিস তোমরা অনেকবার শুনেছো , সেটা হলো তুমি হাজার চেষ্টা করলেও সবাইকে খুশি করতে পারবে না । কিন্তু দু নম্বর জিনিসটা তোমরা কারোর মুখে খুব একটা শুনে থাকবে না ।  কিন্তু  সেটাও সমানই গুরুত্বপূর্ণ । সেটা হলো তুমি হাজার চেষ্টা করলেও নিজের মনকে সব সময় খুশি করতে পারবে না । তাই আমাদের যেমন মাঝে মাঝে আমাদের ওপর দিকে থাকা কিছু মানুষকে না বলতে শিখতে হবে । তেমনি মাঝে মাঝে নিজের মন টা কেও না বলতে শিখতে হবে । একটা ছোট্ট উদাহরণ দিয়ে এই দুরকম না বলার ব্যাপারটা তোমাদের বুঝিয়ে দিই । 


সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প

ধরো তোমার পড়ার টাইমে তোমার একটা বন্ধু তোমাকে ফোন করে বলল , আরে এত পড়ে কি করবি ? আজকের মতো  পড়াশোনা রাখ । চল একটু আড্ডা মেরে আসি ।  কিন্তু তোমার পড়াটা সেদিন খুব গুরুত্বপূর্ণ। তো এক্ষেত্রে তুমি যদি তোমার বন্ধুকে খুশি করতে চাও তাহলে পড়াশোনা সেদিনকার মতো শেষ করে দিয়ে তার সাথে যেতে হবে ।  তাই এক্ষেত্রে তোমাকে না বলতে শিখতে হবে । কিন্তু এই না বলাটা অনেক সহজ। 

 কঠিনটা এবার আসবে। তুমি তোমার বন্ধুকে না বলে দিলে সে রেখে দিলো । এবার যেই তুমি পড়তে বসলে একটু পরে তোমার মন তোমাকে বলতে লাগলো এতো পড়ে কি হবে ? এখন একটু পড়াটা বাদ দে , চল একটু মোবাইল ঘাটি । এক্ষেত্রে কিন্তু না বলাটা বেশ কঠিন । কিন্তু তুমি যদি এই ক্ষেত্রে একবার না বলতে শিখে যাও , তাহলে কিন্তু বাইরের লেবেলে না বলাটা তোমার কাছে কোন ব্যাপারই থাকবে না । আশা করি তোমরা নিজের সাথে পুরো ব্যাপারটা রিলেট করতে পারছ । তাই যেখানে তোমার ক্যারিয়ার, হেলথ, ইমোশন, ফিউচার ক্ষতি হবে বলে তুমি মনে করবে সেখানে না বলতে শিখে যাও । সেটা বাইরের লেবেলে হোক কিংবা নিজের মনের এর লেভেলে এ হোক  । 

তিন নাম্বার কমফোর্ট জোন বা আরাম দায়ক

কমফোর্ট জোন আর সফল  এই দুটো কিন্তু সম্পূর্ণ দুই জিনিস । হয় আমরা কমফোর্ট জোন কে বেচে নিয়ে আরাম করতে পারি । না হয় আমরা কমফোর্ট জোন থেকে বেরিয়ে একশন নিতে পারি, এবং সফলতা  এর পথে এগিয়ে যেতে পারি। আর কমফোর্ট জোন এর মধ্যে বসে থাকা মানে কিন্তু শুধু ফিজিক্যাল কিছু  নয় । অনেক সময় আমরা কোন একটা কাজকে করে দেখার আগে মন এর লেভেল এ হেরে যাই বা ভয় পেয়ে গিয়ে সেই কাজটা করার রিস্কই নিই না । আবার অনেক সময় আমরা ফিজিক্যাল লেভেলে কঠোর পরিশ্রম করতে ভয় পাই । যদিও সেটাও মন মানষিক  এর কমফোর্ট জোন থেকেই তৈরি হয় । কিন্তু যে কোন সফল ব্যক্তি কে মানুষকে দেখলে বুঝতে পারবে তারা নিজের লাইফ এ বারবার কমফোর্ট জোন কে ব্রেক করে । তারা বার বার নিজেকে একটু বেশি উন্নতি  করে, নিজেকে  আরেকটু বেশি প্রচেষ্টা দেওয়ার জন্য । 


যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প

আর এই করতে করতে তাদের কমফোর্ট জোন এর বৃত্ত টা অনেক বড় হয়ে যায় । তুমিও যদি সফলতা এর পথে অন্যদের থেকে একটু এগিয়ে থাকতে চাও, তাহলে আজই নিজের কমফোর্ট জোন থেকে বেরিয়ে একটু কঠোর পরিশ্রম করো।


 নাম্বার চার  কিছু করার আগে এক্সপার্ট এর পরামর্শ নেওয়া

 সফল ব্যক্তি-রা  যখন দেখে যে একটা কাজে তার যতটা বুদ্ধি  লাগানোর ক্ষমতা ছিল, সে লাগিয়ে ফেলেছে তবুও সে সফল হচ্ছে না । তখন তারা সরাসরি করে, কাজ দেওয়ার আগে সেই ফিল্ডের একজন এক্সপার্টের থেকে পরামর্শ অবশ্যই নেয় ।  একটা ছোট্ট উদাহরণ দিই , ধরো তুমি তোমার বাড়ির দেওয়ালে একটা পেরেক পুঁতবে ।  তো অনেকক্ষণ ধরে হাতুড়ি নিয়ে পেড়েকটা পোঁছার চেষ্টা করছো। পেরেক বেঁকে কিন্তু কিছুতেই পেরেক দেওয়ালের ভেতরে ঢুকছে না । তুমি সব রকম পেরেক এবং সব রকম হাতুড়ি দিয়ে চেষ্টা করে ফেলেছো , সাধারণ মানুষ হলে কি করবে তখন তা ছেড়ে দেবে ? 

একবার এটা বোঝার চেষ্টা করেছো,যে পেরেক বেঁকে যাচ্ছে কিন্তু কিছুতেই পেরেক দেওয়ালের ভেতরে ঢুকছে না । তুমি সব রকম পেরেক এবং সব রকম হাতুড়ি দিয়ে চেষ্টা করে ফেলেছো ।  সাধারণ মানুষ হলে কি করবে হার মেনে নেবে। আর এতক্ষণ ধরে তার করা খুটিনাটি  বেকার হয়ে যাবে । কিন্তু  সফলতা  মেন্টালিটির মানুষেরা কি করবে ? সেই কাজে এক্সপার্ট  একজনকে নিয়ে এসে দেওয়ালটা দেখাবে । হয়তো দেখা যাবে তোমার মাথায় যেটা আসেনি তার মাথায় সেটা আসবে । সে হয়তো দেওয়ালটা ভালোভাবে দেখে খুঁজে বার করবে । যে তুমি যেখানে এতক্ষণ ধরে পেরেক পোঁতার চেষ্টা করছিলে সেখানে একটা পিলার আছে ।  তাই এতবার পেরেক এবং হাতুড়ি বদলেও তুমি সফল হতে পারছিলে না । সে কি করবে তার থেকে কয়েক ইঞ্চি দূরে তোমাকে পেড়েকটা পোতার পরামর্শ দেবে । আর তোমার কাজটা সব হয়ে যাবে । এটা একটা ছোট্ট উদাহরণ ছিল । 


 উদাহরণ টা দেওয়ার উদ্দেশ্য এটাই ছিল যে, যখন দেখবে কোনো একটা কাজে বিভিন্নভাবে চেষ্টা করার পরেও তুমি সফল হতে পারছো না, তখন হাল ছেড়ে দেওয়ার আগে একবার অন্তত কারোর পরামর্শ অবশ্যই নিও । কে বলতে পারে হয়তো সফলতা তোমার থেকে মাত্র কয়েক ইঞ্চি দূরেই রয়েছে । 


 নাম্বার পাঁচ ধৈর্য ধারণ 

সবকিছু করার পরেও যদি আমাদের মধ্যে ধৈর্য্য না থাকে, তাহলে সফলতা ঠিক আমাদের পাশ ঘেঁষে বেরিয়ে যাবে । আমরা কিন্তু সেটাকে ধরতে পারবো না, রেজাল্ট পাওয়ার জন্য ধৈর্য ধরতেই হবে । আর একটা কথা তো আমরা ছোট থেকেই শুনে আসছি যে ধৈর্যের ফল কিন্তু সব সময় মিষ্টিই হয় । তাই সফল হতে গেলে আমাদের ধৈর্য ক্ষমতা কিন্তু বাড়াতেই হবে । 


এই ব্লগ টি পড়ে তোমার কাছে কেমন লাগলো তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। এবং এর একটি শেয়ার করবেন, যেন এই ব্লগ টি অন্য সবাই পড়তে পারে। আজ এতটুকুই আবারও শীঘ্রই কথা হবে অন্য একটি ব্লগ নিয়ে। 





Tags: Positive stories bangla, Motivational story in bengali, Success story in bengali,Positive story in bengali, Educational story in bengali, Failure story in bengali, Bangla motivation, যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প, সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প, শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প

আমাদের আরও একটি সাইট; WeBangali.Com

Monday, April 12, 2021

সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প (WeBangali.com-উপদেশ ও অনুপ্রেরণার গল্প)

Bangla Best Inspiration Story সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প

সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প bd-express.top
Bangla Inspiration and Motivational Story

শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প

 হয়তো কেউ একবার খুব দামি একটা কথা বলেছিল যে , চাঁদ কোনদিনও আমাদের কানে কানে এসে বলে না, যে আমি কতটা সুন্দর । বরং আমরা নিজেরাই বুঝে যাই যখন সেই চাঁদের জ্যোৎস্না এসে আমাদের চারপাশে পড়ে । 


আজ থাকছে ছোট একটা গল্প আপনাদের জন্য । গল্পটা এক রাজ্যে থাকা এক পন্ডিত ব্যক্তির। এবং সে এতটাই ছিল বিদ্বান ছিল যে , দেশ বিদেশ থেকে বিভিন্ন রাজ্যের রাজারা তার কাছে জ্ঞান লাভের জন্য আসতো । পন্ডিত যে রাজ্যে থাকত সে রাজ্যের একটা নিদিষ্ট স্থানে প্রত্যেক দিন সভা বসত ।সেই সভায় পন্ডিত মশাই ও রাজামশাই সহ বাকি সদস্যরা উপস্থিত থাকতেন । প্রত্যেক দিনের মতো এমনই একটা দিনে সভা বসে সেখানে পন্ডিত, রাজা সহ সবাই উপস্থিত ছিল। এবং একটা সময় পরে সেই সভা সমাপ্ত হলো। এবং পন্ডিত মশাই উঠে দাঁড়ায় বাড়ি যাওয়ার জন্য । ঠিক সেই সময়তেই রাজামশাই পিছু ডেকে পন্ডিত মশাইকে জিজ্ঞাসা করেন । পন্ডিত মশাই আমি আপনাকে আজকে কিছু একটা বলতে চাই যে , আপনি এত বিদ্বান প্রকৃতির মানুষ, আপনার মধ্যে জ্ঞানের এতো ভান্ডার রয়েছে কিন্তু আপনার ছেলে এত মূর্খ কেন ? 

রাজা মহশাইয়ের কথা শুনে পন্ডিত বলে কেন রাজামশাই আমার ছেলে কি করেছে যে আপনি তাকে মূর্খ বলছেন । রাজা বলে কারণ আমি তাকে যতবারই সোনা আর রুপোর মধ্যে থেকে যেটা সব বেশি দামী সেটা বাঁচতে বলি প্রত্যেক বারই সে রুপোটাকে বেছে নেয় । রাজার এই কথা শুনে রাজসভার প্রত্যেকেই হু হু করে হেসে ওঠে । পন্ডিত মশাই তো খিল্লি উড়ে গেছে। লজ্জায় সে কি করবে সেখান থেকে বিদায় নেয় বাড়িতে চলে যায় । বাড়িতে গেছে সেখানে ছেলে জল নিয়ে বাবাকে জল দেবে জল গ্রহণ করবে।  যখন ছেলে গ্লাসে করে জল নিয়ে এলো তখন বাবা বললো। 


 তুই আগে আমাকে বল যে সোনা, রুপোর মধ্যে কোনটা সবচেয়ে বেশি দামি ? ছেলে বিদ্যুতের গতিতে জবাব দেয় যে,   সোনা সবচেয়ে দামী  ? তখন তার বাবা বলে যে, তাহলে তুই রাতসভাতে গিয়ে কেন বলিস ? যে রূপ সবচেয়ে বেশি দামী। ছেলে বলে আসলে হয়েছে কি বাবা আমি যখন প্রত্যেক দিনই বিদ্যালয় থেকে ফিরি তখন আমি দেখি রাজামশাই বিভিন্ন বিদ্যান লোক নিয়ে, বিভিন্ন সপ্রতিষ্ঠ লোকেদের নিয়ে একটা সভা বসায় খোলা জায়গাতে । সভা বসায় তো সেখানে বিভিন্ন গণ্যমান্য লোকেরা আসে, রাজামশাই কি করে আমাকেও সেখানে ডেকে নেয়। এবং ডেকে নিয়ে প্রত্যেক দিনই আমাকে শুধু একটা কাজ দেয়। নিজের দুটো হাতের মধ্যে এক হাতে সোনা রেখে দেয়, আর এক হাতে, রুপো রেখে দেয় । এবং বলে যে কোনটা সবচেয়ে বেশি দামী সেটা তুমি তুলে নিয়ে যাও । তো আমি প্রত্যেক দিন-ই  রুপোটাকে তুলে নিই । সেখানে যারা বাকি সদস্যরা থাকে হো হো করে হেসে ওঠে আমাকে দেখে । তখন আমি কিছু বলতে পারি না , সেটাকে নিয়ে বাড়িতে চলে আসি । 


তখন তার বাবা বলেন আচ্ছা তুই যখন জানিস যে রুপোর থেকে সোনা সবচেয়ে বেশি দামী , তাহলে তুই রুপো টাকে-ই তুলিস কেন বল আমায় ? 

ছেলে কিছু  না বলে তার বাবাকে নিয়ে ঘরের ভেতরে চলে  যায় ।  এবং ছেলে বলে এসো আমি তোমাকে কিছু একটা দেখাতে চাই। ছেলে তার বাবাকে  ভেতরে নিয়ে যায় এবং সেখানে বড় মত একটা সিন্দুক ছিল সেটাকে খুলতে বলে ছেলে বাবাকে । যখন খোলে তখন তার বাবার চোখ ছানা বড়া হয়ে যায় । বাবা দেখতে পায় যে, সিন্দুকে প্রচুর রুপোর মুদ্রারা রাখা ছিলো । এই সব দেখে বাবা বলে এগুলো কি ? ছেলে বলে এগুলোই তো সেই রুপোর কয়েন , যেগুলো আমি রাজার কাছ থেকে প্রত্যেক দিনই নিয়ে আসি । এই কথা শুনে পন্ডিত মশাই যা বোঝার বুঝে যায় । 


যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প

ছেলে তখন বলে যে , বাবা আমি প্রত্যেক দিনই সোনা রুপোর  কয়েনর মধ্যে রুপোর কয়েন নিই এই কারণে যে , যদি আমি সোনার কয়েন রাজা মশাইয়ের  হাত থেকে তুলি নিই তাহলে সেদিনই খেলাটা বন্ধ হয়ে যাবে । ফলে একটি সোনার কয়েন নিলে হয়তো  হাজারো রুপোর কয়েন পেতাম না।তাই আমি সোনা রুপোর মধ্যে রুপো টাকে বেছে নিই প্রত্যেক বার।

এই কথা শুনে তো পন্ডিত মশাই বুঝে গেছে যে৷ তার ছেলে প্রচন্ড রকমের তীক্ষ্ণ ও বুদ্ধি সম্পূর্ণ  । 

পন্ডিত মশাইয়ের ছেলের এই কথাটা আর পেটে চেপে রাখতে পারেন না ।  পরের দিনই চলে গেছে রাজার দরবারে । সেখানে গিয়ে ছেলেকে নিয়ে গেছে, ছেলে যখন রাজাকে সমস্ত কথাটা জানালো এবং বলল যে, রাজা মশাই, আমি প্রত্যেক দিনই আপনার হাত থেকে রুপোর কয়েন নেই এই কারণে যে , আমি যদি কোনদিন সোনার কয়েন তুলে নিতাম তাহলে আপনি হয়তো  সেদিনের  পর থেকে আর আমায় ডেকে নিয়ে বলতেন না যে, কোনো দুটো কয়েনের মধ্যে একটি কয়েন বেছে নাও। 


 রাজামশাই এই কথা শুনে খুব খুশি হয়। আর এই ছেলের এই কথার কারণে খুশি হয়ে সারা রাজ্যে  ঘোষণা করে দেয় যে , সেই সবচেয়ে বেশি বিদ্বান, পন্ডিত, চালাক,চত্বর জ্ঞান সম্পূর্ণ ছেলে । এবং আরও রাজামশাই বলে , পন্ডিতের বিদ্যান অনুযায়ী তার  এমন ছেলেই পন্ডিতের ছেলে হবার জন্য  একমাত্র যোগ্য । এবং রাজামশাই  খুশি হয়ে  তাকে একটা বড় বাক্সে করে সিন্দুক ভর্তি  করে তাকে  স্বর্ণের কয়েন  উপহার হিসাবে দেয় । 


এই সব ছোট ছোট  গল্প আমাদেরকে শিখিয়ে দিয়ে যায় যে, বন্ধু আপনার মধ্যে যদি সামর্থ্য থাকে বা অসীম ক্ষমতা থাকে তাহলে সেটা কোনোদিন কারোর কাছে বলার দরকার নেই বা  নিজেই মুখ ফুটে কোনো দিনও বলতে যাবেন না । কারণ যখন সময় আসবে সেদিন-কে আপনার বিশেষ ক্ষমতা টা আপনা-আপনিই গোটা পৃথিবী জেনে যাবে । হয়তো আমার কথা আপনি কিছু টা হলেও বুঝতে পেরেছেন। একটা কথা আছে বাংলায় যা আমি গল্পের প্রথমেই বলে দিয়েছি  যে , চাঁদের জ্যোৎস্না আর সূর্যের আলো বা তেজ কোনদিনও চেপে রাখা যায় না । সেটা একদিন না একদিন বেরিয়ে আসে । তেমন ভাবেই যদি আপনার অসীম বা বিশেষ ক্ষমতা থাকে, তাহলে  সেটার সম্পর্কে অন্যের কাছে বলার দরকার নেই । কারণ জীবনে একদিন সফলতা  আসবেই, আর সেই দিনকেই গোটা পৃথিবী জেনে যাবে বা বুঝতে পারবে তোমার অদৃশ্য ক্ষমতার ব্যাপারে। 


 যদি আপনার জীবনে সংঘর্ষ থাকে তাহলে , আপনি নিজের উপরে গর্ব বোধ করুন।  কারণ যার জীবনে সংঘর্ষ নেই তার জীবনে সফলতা বা সফলতার যে আনন্দ বা শান্তি কিছুই আর থাকে না।  আর তখন সে জীবনে সফল হয়েও  সফলতার সুখ ভোগ করতে পারে না । 

আমরা বাঙালী ব্লগের পক্ষ থেকে আমি অন্তর। এই গল্প টি তোমার কেমন লাগলো তা কমেন্টে করে জানাবে। কারণ তোমার একটি কমেন্ট আমার কাছে অনুপ্রেরণা স্বরুপ। ভালো থেকে আর ভালো রেখো 



Tags: Positive stories bangla, Motivational story in bengali, Success story in bengali,Positive story in bengali, Educational story in bengali, Failure story in bengali, Bangla motivation, যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প, সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প, শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প

আরও অনুপ্রেরণা মূলক গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Friday, April 2, 2021

অনুপ্রেরণামূলক গল্প(Motivational Story Bangla) উপদেশ মূলক গল্প সমূহ[সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প]
অনুপ্রেরণামূলক গল্প(Motivational Story Bangla) যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প
একটি শিক্ষনীয় ও অনুপ্রেরণার গল্প

সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প

  দুজন ব্যাক্তি একটা খালের ধারে বসে মাছ ধরছিল । ওই খালের  পানিতে নিজেদের ছিপ ফেলে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর,  প্রথম ব্যক্তির ছিপে একটা বড় মাছ আটকায়। সে সেই মাছ টাকে ধরে খুবই আনন্দিত হয়। সে মাছটাকে তার কাছে থাকা একটা থলিতে  রেখে দেয় আর আবার পানিতে ছিপটা ফেলে দেয় ।আবারও ছিপে মাছ উঠে তা দেখে লোক টি খুব আনন্দিত ছিল।


শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প

 জীবনেও আমরা এমন কিছু কাজ করে থাকি । দেখা যায় তখন অনেক সহজেই আমাদের কাছে অনেক বড় আনন্দের রেজাল্ট চলে আসে। আমাদেরও উচিত ওই প্রথম ব্যক্তির মত সেই সফলতার আনন্দের সঙ্গে এনজয় করা । কিন্তু সেই আনন্দে ভেসে না গিয়ে আবার নতুন করে কাজ শুরু করতে হবে।

গল্পের যে দ্বিতীয় ব্যক্তিটি ছিল সে অনেকক্ষণ ধরে ছিপ ফেলে অপেক্ষা করা সত্ত্বেও,  তার ছিপে কোন মাছ উঠেনি। আর এইটা  দেখে প্রথম ব্যক্তি দ্বিতীয় ব্যক্তিটিকে বলেছিল যে, আমি তোয়ায় মাছ ধরতে কি সাহায্য করব ?   কিন্তু দ্বিতীয় ব্যক্তিটি সরাসরি তাকে না বলে দিয়েছিল ।এরপর প্রথম ব্যক্তিটি আর কিছু বলেনি। সে আবার নিজের মাছ ধরাই ব্যস্ত হয়ে যায়। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই আবারও অনেক বেশ কিছু ছোট ছোট মাছ ছিপে উঠেছিল। 


কিছু শিক্ষনীয় কথা

 আমাদের জীবনেও সব সময় কিন্তু প্রথম ব্যক্তির মত রেজাল্ট আমরা পাই না ।  অনেক সময় আমরা অনেক প্রচেষ্টা করার পরেও আমাদের হাতে কোন রকম রেজাল্ট আসে না । তখন আমাদের উচিত,  সেই কাজের জন্য অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ  কোনো মানুষের সাহায্য নেওয়া । কিন্তু আমরা অনেক সময় নিজের ভেতরকার অহংকারের কারণে অন্য কারোর থেকে সাহায্য নিতে স্বচ্ছন্দ বোধ করি না ।  আমরা যখনই কোন স্বপ্ন দেখি বা কোন লক্ষ্য স্থির করি আর যখন সেই লক্ষ্যের জন্য কাজ শুরু করি ।  তখন এই প্রকৃতি কিন্তু বারবার আমাদের কাছে কিছু মানুষকে পাঠিয়ে দেয় , যারা আমাদের এই স্বপ্নের জার্নিতে সাহায্যকারী হতে পারে । 

অনেক সময় এটা ডাইরেক্টলি আবার অনেক সময় এটা ইনডাইরেক্টলি হয়। কিন্তু আমরা আমাদের মনের মধ্যে তৈরি থাকা বিশ্বাস সিস্টেমের চশমা পড়ে থাকি বলে , তাদেরকে দেখতে পাই না । আর অনেক সময় দেখতে পেলেও আমরা অহংকারের কারণে সাহায্য নিতে বা পরামর্শ নিতে চাই না ।


 কিন্তু সফল হতে গেলে আমাদের এই চশমাকে খুলে ফেলে, অহংকার কে মন থেকে দূর করে ফেলতে হবে । আর সফল মানুষদের থেকে শিখতেই হবে। তারা শেখাতে না আসলে আমাদের নিজে থেকে তাদের কাছে শিখতে যেতে হবে । আর বুদ্ধিমান ব্যাক্তিরা কিন্তু এটাই করে থাকে। 


যখন দ্বিতীয় ব্যক্তির ছিপে মাছ উঠে ছিল

  অনেক খুন পরে গল্পের দ্বিতীয় ব্যক্তির ছিপে কয়েক টা বড় বড় মাছ উঠে ছিল। কিন্তু  সে সেই মাছ গুলোকে দেখছিল আর কিছু একটা ভাবছিল।  আর আবার সেই মাছ গুলোকে  খালের পানিতে ছেড়ে  ছেড়ে দিচ্ছিল । এই দেখে প্রথম ব্যক্তি তাকে জিজ্ঞেস করে যে , আপনি কেন এমন করছেন ?  দ্বিতীয় ব্যক্তি সে উত্তর দেয় যে , আমার ধরা মাছ গুলো সাইজ অনেক বড় । আর এই বড় মাছ গুলো রান্না করার মতো আমার কাছে তেমন কোনো বাসন নেই । সেই জন্য আমি এই বড় মাছ গুলোকে জলে ফেলে দিচ্ছি। আর আমার  কাছে থাকা বাসনের সাইজ অনুযায়ী কোন ছোট মাছের জন্য অপেক্ষা করছি । 

আর গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন 

এই দ্বিতীয় লোক টা থেকে আমরা যা শিখতে পারি


এই দ্বিতীয় লোক টা থেকে আমরা শিখতে পারি ,মনে করো এখানে দ্বিতীয় ব্যক্তির ছিপে ধরা পড়া একেকটা বড় বড় মাছ আমাদের জীবনের আসা একেকটা বড় বড় সুযোগের মতো । যেগুলো আমাদের প্রত্যেকের জীবনে বারবার আসে না। আমরা কঠোর পরিশ্রম করে সুযোগ গুলো তৈরি তো করি ।  কিন্তু আমরা ওই দ্বিতীয় ব্যক্তির মতই এক এক করে সুযোগকে নষ্ট করে ফেলি।  কেন নষ্ট করে ফেলি ? নষ্ট করে ফেলি, কারণ আমাদের মধ্যে নিজেদের নিয়ে এমন কিছু বিশ্বাস সিস্টেম তৈরী হয়ে আছে, যাতে যখন আমাদের কাছে সেই সুযোগ আসে আমরা সেগুলোকে নিজেদের শক্তি অনুযায়ী ম্যাচিং করার চেষ্টা করি । আর যখন দেখি যে আমাদের দক্ষতা অনুযায়ী , আমাদের ক্ষমতা অনুযায়ী ,  কিংবা আমাদের বর্তমান অবস্থার অনুযায়ী সেই সুযোগগুলো একটু বেশি বড়ো । আমরা সেগুলোকে সাথে ফিট করতে না পেরে নষ্ট করে ফেলি ।

 কখনো আমাদের অবস্থা অনুযায়ী আমাদের শক্তি অনুযায়ী সুযোগ আসবে, তার জন্য আবার অপেক্ষা করি। 


 গল্পে প্রথম ব্যক্তি দ্বিতীয় ব্যক্তি কে বলেছিল যে , তোমার কাছে যদি বড় মাছ রান্না করার মত বাসন না থাকে, তাহলে তুমি বড় মাছ কে টুকরো টুকরো করে কেটে তারপর রান্না করতে পারো । আর যদি মন করতে ওই বড় বড় মাছ গুলোকে বাজারে বিক্রি করে, তুমি নিজের জন্য একটা বড় বাসন কিনতে পারতে । 

যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প

এখান থেকে আমরা কি কি শিখতে পারি ? আমাদের কাছে যখন এমন কোন সুযোগ আসবে, যেগুলো আমাদের এই মুহূর্তে নিজেদের শক্তি অনুযায়ী অসম্ভব বলে মনে হবে , অনেক কঠিন বলে মনে হবে , তখন আমরা সুযোগ গুলোকে ছেড়ে না দিয়ে , সেই সুযোগ কে ছোট ছোট করে স্বপ্নে ভাগ করে নিতে পারি ।  তারপর সেই এক একটা ছোট ছোট স্বপ্ন কে বাস্তবে রুপ দিতে পারি। যাতে ছোট ছোট স্বপ্ন গুলোর সংযোগে  একটা বড় স্বপ্ন  হয়ে যাবে ।


এই গল্পের সবচেয়ে বড় যে শিক্ষাটা হলো যে,  সুযোগ কখনো আমাদের স্ট্রেন্থ আর সিচুয়েশন অনুযায়ী আসে না । আমাদের বুঝতে হবে যে সুযোগটা প্রকৃতি আমাদের দিয়েছে । আর আমরা নিশ্চয়  এটাকে কাজে লাগাতে পারবো বলেই , প্রকৃতি আমাদের এই কাজ টি দিয়েছি । আর এর জন্য চাই সঠিক মাইন্ড সেট , সঠিক প্ল্যানিং আর একটু খানি রিস্ক নেওয়ার ক্ষমতা । তাহলেই আমাদের জীবন টা আমরা নিজে-রাই বদলে ফেলতে পারবো ।


আমরা বাঙালী ব্লগের পক্ষ থেকে আমি অন্তর। এই ব্লগ টি তোমার কাছে ভালো লেগে থাকে তাহলে   অবশ্যই  একটা শেয়ার করে দিও । আর এর সাথে কমেন্ট করতে ভুলে যেওনা  , কারন তোমার একটি কমেন্ট আমাদের কাছে অনুপ্রেরণা স্বরুপ ❞



 Tags: Positive stories bangla, Motivational story in bengali, Success story in bengali, Positive story in bengali, Educational story in bengali, Failure story in bengali, Bangla motivation, Motivational Story Bengali, Inspiration Story bangla, Bengali Advice Story, যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প,সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প,শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প

আমাদের আরও একটি সাইট;  WeBangali.Com

Tuesday, March 16, 2021

একটি সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প Two Point Zero Motivation Website | অনুপ্রেরণার গল্প 2.0

  সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প

সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প
শিক্ষনীয় গল্প-উপদেশ মূলক গল্প

যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প

বন্ধু আর যাই কিছু হোক না কেন কোনদিন ভয় পাবে না।  যদি ভয় পেয়ে একবার তুমি পিছিয়ে আসো , তাহলে তুমি তোমার লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবে না। তাই যখন তোমার মন দুর্বল হয়ে যাবে তখন এক বারের এই কথাটা একবার মাথায় আনবে ।  জো ডার-গায়া তো মার গায়া । 


সাহস এমন একটা জিনিস যেটা তোমাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে । হ্যাঁ!!  সাহস এমন একটা জিনিস যেটা তোমার হারকে জয়ে বদলে দেবে । সাহস এমন একটা জিনিস যেটা তোমার অসফলতাকে সফলতায় বদলে দেবে । আর যদি তুমি একবার ভয় পেয়ে যাও , তাহলে তোমার সাম্রাজ্য ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে ।

 বস তুমি কি জান , ভয় তোমাকে ভাঙতে শেখায় আর সাহস তোমাকে গড়তে শেখায় । আর এই ভাঙা-গড়ার মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছো তুমি । তাই তোমাকেই ডিসাইড করতে হবে যে , তুমি পিছিয়ে আসবে নাকি এগিয়ে যাবে ? আর যদি পিছিয়েই আসতে হয় , তাহলে বাঘ যেমন শিকারের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য পিছিয়ে আসে ঠিক তেমনই পিছিয়ে আসো । 


কিন্তু তারপর যখন ঝাঁপিয়ে পড়বে , তখন যেন সমস্ত কিছু তোমার হাতের নাগালের  মধ্যে চলে আসে । মনে রাখবে৷,  জীবন কিন্তু একটা আর এই জীবন তোমাকে দ্বিতীয়বার সুযোগ দেবে না ।  যে সময় আজকে চলে যাচ্ছে সেই সময় কিন্তু আর ফিরে আসবে না। বা আমাদের লাইফে কোনো বাটানো নেই যে আমরা সেটাকে ইউজ করে আবার সবকিছু একদম শুরু থেকে নতুন করে শুরু করতে পারবো ।  তাই ভয় না পেয়ে এগিয়ে এসো ।  সাহসকে পাশে নিয়ে শুরু করে দাও । তোমার লড়াই ততক্ষণ চলতে থাকবে যতক্ষণ সফলতার দোরগোড়ায় তুমি পৌছতে পারছো । 


শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প

তুমি একবার হারবে দুবার হারবে তিনবার হারবে কিন্তু বারবার চেষ্টা করার পর , একবার তুমি জিতবেই জিতবে । সব সময় মাথায় রাখবে বন্ধু, জীবন কোন ভাগ্যের খেলা নয় , জীবন কর্মের খেলা । যেমন কর্ম করবে ঠিক তেমনি ফল পাবে । ভাগ্যের দোহাই না দিয়ে কাজ করতে শুরু করে দাও ।  তারপর যখন তুমি সেই কাজের যোগ্যতা অর্জন করবে তখন আল্লাহ বা ভগবান তোমার সফলতা গিফট  হিসাবে তোমার হাতে তুলে দেবে । তখন তুমি তোমার বিজয় এর ট্রফি  নিয়ে রোড শো করবে।   যদি তুমি এখন একজন পরাজিত ব্যাক্তি হয়ে থাকো তাহলে ভয় পেয়ো না । শুধু মনে মনে সাহস রেখে প্রস্তুতি নিতে থাকো এবং নিজেকে কথা দাও ,

 যে ভালো সময় আসতে চলেছে আর এই ভালো সময় আমি নিয়ে আসবো । তো বস শুধু নিজেকে একবার হিরো মনে করে দেখো ।  দেখবে আশে পাশের মানুষ গুলো মুহূর্তের মধ্যে জিরো হয়ে যাবে।  আর যদি তুমি আজকে নিজেকে জিরো মনে করো তাহলে আশে পাশের মানুষ গুলো হিরো হয়ে  ঘাড়ের উপরে চাপবে । 


 তাই বলবো সব কিছু  তোমার উপরে নির্ভর করে আছে । তুমি একবার চেষ্টা করে দেখলে সব কিছুই সম্ভব । তাই সমস্ত ব্যথা , যন্ত্রণা , দুঃখ , হার , পরাজয় সবকিছু বুকের মধ্যে চেপে রেখে আবারও নতুন সকালের পিছনে ছুটে চলো । একদিন দেখবে ঠিকই সফলতা তোর হাতের নাগালের মধ্যে নিমিষেই চলে আসবে। তো বন্ধু আর দেরি না করে ঝাপিয়ে পর তোমার লক্ষ্যের দিকে , আর এগিয়ে যাও সফলতার শিকরে। আর সব সময় মনে রাখবে যে পরিশ্রম করে সে কখনো হারতে পারে না।  হারে তো তারায় যারা পরিশ্রম না করে সুযোগ খুযে বেড়াই। এখন তুমি যদি এমন হয়ে থাকো তাহলে এখনই নিজেকে পরিবর্তন করে ফেলুন। নয়তো পরবর্তীতে আপনার নিজের - ই  ক্ষতি হয়ে যাবে। 


 এই ব্লগ সাইটেরর  পক্ষ থেকে অনতর, বন্ধু হিসেবে তোমার কাছে আমার আর কিছুই চাওয়ার নেই, শুধু এই ব্লগ টি তোমার বন্ধুদের মাঝে  শেয়ার করে দিও । আর কমেন্ট বক্স এ লিখতে ভুলো না আপনার স্পেশাল মন্তব্য। 


Tags: Positive stories bangla, Motivational story in bengali, Success story in bengali, Positive story in bengali, Educational story in bengali, Failure story in bengali, Bangla motivation, যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প, সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প, শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প, শিক্ষনীয় গল্প, উপদেশ মূলক গল্প

আমাদের আরও একটি সাইট ; WeBangali.Com

Saturday, March 6, 2021

স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার গল্প[আবেগি ভালোবাসার গল্প] Bangla Romantic Golpo  Valobasar Golpo | bd express

 স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার গল্প - আবেগি ভালোবাসার গল্প

আরও পড়ুনঃ সফলতার গল্প

Bangla love story bd express
Abegi Valobasa Romantic Golpo


Bangla Romantic Golpo ভালোবাসার কষ্টের গল্প কাহিনী


একটি দম্পতি 10 বছর আগে বিয়ে করেছিল।  কিন্তু তাদের কোন সন্তান ছিল না। তবুও তারা একে অপরের সাথে থাকত ও একে অপরকে অনেক ভালো বাসত।  এবং সত্যিই তারা দুজনেরই আশা ছিল যে তাদের 11 তম বার্ষিকী আগে তাদের একটি শিশু সন্তান থাকবে। কিন্তু বিধাতা তাদের এই আসা পূরণ করে নি।
সন্তান না হবার কারনে, তাদের পরিবার ও সকল বন্ধু বান্ধব তাদের তালাক দিয়ে ছাড়া ছাড়ি হয়ে আলাদা হয়ে যাবার জন্য তাদের 
অনুরোধ করত। 


 কিন্তু তারা দুজনেই তাদের মধ্যে দৃঢ় ভালোবাসার কারণে আলাদা হতে  চাই ছিল না। কিছু মাস পরে....  একদিন স্বামী যখন অফিস  থেকে বাড়ি ফিরে আসতে ছিল। ঠিক তখনই তিনি দেখলেন  তার স্ত্রী অন্য একজন মানুষের সাথে রাস্তায় হাঁটতে হাটতে কথা বলতে ছিল। এবং তারা দুজনেই অনেক  খুশি এবং অনেক  আনান্দিত ভাবে কথা বলতে ছিল।


আবার চার দিন  পরে...

Sad love story bangla Bangla love story bd express
Sad love story bangla ভালোবাসার ছোট গল্প কাহিনী


Valobasar Golpo 
 চার দিন  পর স্বামী আবার দেখল যে তার স্ত্রী আবার একই লোকের সাথে তার স্ত্রীকে কথা বলতে । স্বামী তাদের একে অপরের সাথে কথা বলার ভঙ্গিমা  অনেক বার ঘুরে ঘুরে দেখতে ছিল । এবং কথা বলা শেষ করার পর তারা দুজনেই একে অপর কে  জরিয়ে ধরে। স্বামী ওই সব দেখে নিজের রাগ আর সামলাতে পারছে না।  পরবর্তী দিনে স্বামী আবার দেখল সেই একই লোকের সাথে তার স্ত্রী হেসে হেসে  কথা বলছে।  স্বামী এ-ই সব দেখে অনেক  রাগান্নিত হয়ে ছিল। এবং অনেক  দুঃখ  পেয়ে ছিল। একদিন রাতে স্বামী ঘরে বসে ছিল। এমন সময় তার স্ত্রীরির  ফোনে  কল আসে। কল টা এসেছিল এক আন'নোন  নাম্বার থেকে।তাই দেখে স্বামী তার স্ত্রীরির ফোন কল টা রিসিভ করে।কল রিসিভ করার সাথে সাথেই   অন্য দিকে বললো, "হ্যালো ডিয়ার,  কেমন আছো তুমি । কাল কে সন্ধ্যায় তোমার বাড়িতে আমাকে  কি    আসায় লাগবে।

[রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প কাহিনী]

 স্বামী এই কথা শুনে ফোন কল কেটে দেয়। আর  নিজেকেই নিজে বলে ,  " আমি নিশ্চিত যে, আমার স্ত্রী অন্য পুরুষের উপর আকৃষ্ট হয়েছে।তার সাথে লুকিয়ে লুকিয়ে দেখা করে এমন কি তারা দুজনেই একে অপরকে জরিয়ে ধরে। কারন আমি আমার স্ত্রীকে অনেকবার দেখেছি অন্য পুরুষের সাথে দেখা করতে এবং কথা বলতে ।" স্বামী  ভেবেছিল যে আমি আমার  স্ত্রীকে অন্য একজনের কাছে হারিয়ে ফেলে ছি। এবং এই সব ভাবতে ভাবতে তার হাতে থাকা পানির গ্লাস  তার হাত থেকে মেঝেতে  পড়ে গিয়েছিল এবং কাচের গ্লাস টি মেঝেতে পরে  টুকরো টুকরো করে ভেঙ্গে গিয়ে ছিল। এই শব্দ শোনার পর, তার স্ত্রী তার কাছে দৌড়ে আসে।  আর  তার স্বামী কে জিজ্ঞাসা করেন, " তুমি  ঠিক আছো ??"

Valobasar Golpo_Breakup love Story Bangla


স্বামী রেগে তার স্ত্রী কে ধাক্কা  দিলেন যার ফলে তার স্ত্রী মেঝেতে পরে যায় । কয়েক সেকেন্ড পরে স্বামী বুঝতে পেরে ছিল যে, মেঝেতে পরে থাকা তার স্ত্রী আর নড়াচড়া করছে না।  স্বামী তার স্ত্রী রির দিকে তাকিয়ে দেখে তার শরীর দিয়ে রক্ত ঝরছে। তার স্ত্রী নিশ্চুপ হয়েই মেঝেতে পরে আছে।স্বামী তার স্ত্রী কে ডাকছে কিন্তু কোনো সারা শব্দ পাচ্ছে না।স্বামী একটু খেয়াল করে দেখে যে, তার স্ত্রী  ভাঙা কাচের গ্লাসের  টুকরার উপর পরে আছে। স্বামী তার স্ত্রী রির  শ্বাস - প্রশ্বাস চেক করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তার স্ত্রী রির হার্টবিট আর চলতে ছিল না।এবং শ্বাস-প্রশ্বাস চলতে ছিল না। এত খুনে স্বামী বুঝতে পেরেছে যে,তার স্ত্রী আর নেই সে  মারা গেছে।
আরও পড়ুন; অনুপ্রেরণার গল্প


স্ত্রী  মারা যাওয়ার ২ দিন পরে..... 

 স্ত্রী  মারা যাওয়ার ২ দিন পরে স্বামী দেখল যে,  তার টেবিলের এক পাশে  তার স্ত্রী রির একটি ডাইরি পরে আছে । আর ডাইরির মধ্যে একটি কাগজ । স্বামী ডাইরি টি পড়তে শুরু করে।ডাইরি টা পড়ে স্বামী হতবাক হয়ে যায়।আর তার দুচোখ দিয়ে পানি ঝরতে থাকে। 

আরও পড়ুন; হার না মানার গল্প,

 ডাইরিতে লেখা ছিল যে,।  "আমার প্রেমময় স্বামী, আজ আমি কতটা খুশি তা আমি তোমায় বলে বুঝাতে পারবো না। 
যে, তুমি বাবা হতে চলেছো, আর আমি মা হতে চলে ছি।  আমি এটি বিশ্বাস করতেই পারতে ছিলাম না। তাই আমি গত সাত দিন ধরে ডাক্তারের সাথে একের পর এক কথা বলে নিশ্চিত হতে চাইছি।যেন তোমায় সত্য কথা টা বলার পরে যেন মিথ্যা না হয়ে যায়। তাই ডাক্তার নিজেই  কাল সন্ধ্যায় আমাদের বাড়িতে আসবে।এবং ডাক্তার সাহেব নিজেই তোমাকে জানাবে যে, তুমি বাবা হতে চলেছো। আর একটা কথা বলে রাখি, কাল যে ডাক্তার আমাদের বাড়িতে আসবে সে আর কেউ নয়। আমার মামাতো বড় ভাই জান।যে বিদেশে লেখা পড়া করত।আমি  তার কাছ থেকেই নিশ্চিত  হয়েছি যে আমি গর্ভবতী।এই টা আমার প্রেগন্যান্ট রিপোর্ট। 


স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার গল্প

নৈতিকতা বা মোরাল: [ Sad love story bangla  ]

  অন্য ব্যক্তি কে  বিচার করার ক্ষেত্রে  দ্রুত হওয়া উচিত নয়।বরং আমাদের উচিত সম্পর্কের মধ্যে কথা বলে তা পরিষ্কার করার চেষ্টা করা। 
এবং 
 আমরা আমাদের রাগ আমাদের নিয়ন্ত্রণ রেখে দেওয়া উচিত। কারণ আমরা যা দেখি বা শুনি  তা সব সময়  সত্য হয় না৷ 



Tags: ভালোবাসার ছোট গল্প,রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প কাহিনী,আবেগি ভালোবাসার গল্প,ভালোবাসার কষ্টের গল্প কাহিনী,Breakup love story Bangla,Bangla Love Story Shayari,Sad love story bangla,Breakup love Story Bangla 

আমাদের আরও একটি সাইট; antorali.com এই সাইটে বিভিন্ন ধরনের ছোট বড় গল্প কাহিিন যেমন, অনুপ্রেরণা, উপদেশ,শিক্ষনীয় গল্প আছে । 

আমাদের আরও একটি সাইট ; WeBangali.com

Thursday, March 4, 2021

 স্বামী স্ত্রীরির ভালোবাসার গল্প(আবেগি ভালোবাসার গল্প)Story Of Husband and Wife bangla

Sad love story bangla 

স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার গল্প (আবেগি ভালোবাসার গল্প)

আবেগি ভালোবাসার গল্প Bangla Romantic Valobasar  Golpo
আবেগি ভালোবাসার গল্প

বিয়ের পরে  একটি ছেলে ও  একটি  মেয়ের  Valobasar  Golpo

আরও পড়ুন ; অনুপ্রেরণার গল্প

 একটি ছেলে এবং একটি মেয়ে একে অপরে খুব ভালোবাসে।

ছেলেটির নাম শাফায়াত আর মেয়েটির নাম মৌ।  তারা দুজনেই কলেজ যেতে পড়ে। একদিন মৌ শাফায়াত কে  জিজ্ঞেস করল, আমি তোমার কাছে কি? শাফায়াত  এক মুহূর্তের জন্য চিন্তা করে এবং তারপর তার চোখের দিকে  তাকিয়ে বলল, "তুমি আমার কাছে আমার হৃদয়ের  স্পন্দন ।" মৌ একটু হেসে বলে, তাই নাকি, ভালো খুব ভালো।  শাফায়ত আর মৌ সিদ্ধান্ত নিল যে, তারা শীঘ্রই  বিয়ে করবে। ( ভালোবাসার ছোট গল্প কাহিনী

কিছু দিন পর.....

শাফায়াত আর মৌ বিয়ে করে নেই। এবং তাদের দাম্পত্য জীবন অনেক ভালভাবেই কেটে যাচ্ছিল।এবং তারা ফ্যামিলি প্ল্যান করার কথাও ভাবছিল। 

হঠাৎই  সময়ের সাথে সাথে অল্পবয়সী দম্পতির মধ্যে  তাদের ব্যস্ত সময়সূচির কারণে মাঝে মধ্যে তাদের মধ্যে কথা কাটা কাটি শুরু হয়। দৈনিক কাজের চাপের কারণে তাদের দাম্পত্য  জীবন আরও  কঠিন হয়ে ওঠে। প্রতিটি ক্ষণস্থায়ী দিনেই শাফায়ত মৌ এর সাথে ঝগড়া করতে শুরু করে। এজন্য  তাদের দুজনের সাথে সম্পর্ক দিন দিন  খারাপ হয়ে থাকে। একদিন শাফায়াত আর মৌ মুখোমুখি হয়ে কথা বলার সিদ্ধান্ত নিল।এবং তাদের মধ্যে সব ধরনের কথা বলতে থাকে ।এমন সময় মৌ  তার স্বামী শাফায়াত কাছে চিৎকার করে বলে, "তুমি আমাকে আর আগের মতো ভালোবাসো না।"

ভালোবাসার কষ্টের গল্প কাহিনী

আরও পড়ুন; সফলতার গল্প

 শাফায়াত  তার  কথা শুনে বলল, "এটা তোমার সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। আমি তোমাকে আগে যেমন ভালোবাসতাম এখনো ঠিক একই ভাবে ভালোবাসি। কিন্তু মৌ শাফায়াতের কথা না শুনে বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। আর একটি চিঠি রেখে যায়। 

চিঠি তে মৌ বললে, "আমি কখনোই তোমার  জীবনের একটি বিশেষ অংশ হিসেবে  ছিলাম না, আমি কখনোই হয়তো তোমার খেয়াল রাখতে পারিনি, তাই আমাকে যেতে দাও।তুমি ভালো থেকো।

Bangla Romantic Golpo

দেখতে দেখতে পাঁচ টি বছর কেটে গেল ... 

 শাফায়াত তার পর থেকে আর কখনো বিয়ে করেনি। কিন্তু শাফায়াত  কোনভাবেই মৌ এর  বিষয়ে কোনো খোঁজ খবর রাখতেন না। শাফায়াত  জানত যে , মৌ দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছে। শাফায়াত আর মৌ এর মধ্যে যা ঘটেছিল তা নিয়ে শাফায়াত প্রতি নিয়ত দুঃখ প্রকাশ করত। একদিন সাফায়াত ব্যবসার কাজে বাইরে যেতে ছিল , হঠাৎ সেখানে মৌ কে দেখতে পায়। মৌ মাত্র কয়েক ধাপ দূরে একা দাঁড়িয়ে ছিল। শাফায়াত মৌ কে  দেখে এবং আস্তে আস্তে হাসতে থাকে। শাফায়াত মৌকে জিজ্ঞেস করল, কেমন আছো তুমি  ? মৌ বলে, "আমি  তো ভালো আছি, তুমি কেমন আছো ? তুমি কি একাই এসেছো না তোমার ওয়াইফও সাথে এসেছে ?" শাফায়াত  উত্তর দিল, "না .." 


Bangla Romantic Valobasar  Golpo

শাফায়াত ; আমি পরবর্তী ফ্লাইটে চলে যাব।" আর আমি ২ সপ্তাহ পর ফিরে আসব। এই নেও আমার কার্ড ২ সপ্তাহ পরে  আমাকে একটি কল দিও .." মৌ হাসিখুশি মুখে শাফায়াত কে  বিদায় জানায়। [ Breakup love story Bengali ]

সন্ধ্যার দিকে মৌ বিমান দুর্ঘটনার কথা শুনল।আর শাফায়াতের সম্পর্কে জানতে চেষ্টা করেছিল, শাফায়াত ভালো আছে নাকি। কিছু খুন পর নিউজে বলল, বিমান দুর্ঘটনায় বিমানের সকল যাত্রী মারা গেছে । মৌ জানত যে এর মধ্যে শাফায়াত ছিল।আর ঔ মারা গেছে। ( স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার গল্প )

আরও পড়ুন, ভালোবাসার কষ্টের গল্প

মৌ আজ শাফায়াতের অনুপস্থিতর ব্যথা অনুভব করছে আবার আগের  মতো। কিন্তু এখন কিছুই করার নেই। কারন শাফায়াত আর বেঁচে নেই।

Bangla Romantic Valobasar  Golpo


নৈতিকথা বা মোরাল: রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প কাহিনী

 আমরা এই গল্প থেকে বুঝতে পারি যে,  কখনো কখনো লোকেরা বিভিন্ন ভাবে  রাগ দেকিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে। কিন্তু আমার জানা মতে, আমাদের রাগ বা আবেগের মধ্যে কোনো  কাজ বা কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া  উচিত নয়। এবং বড়দের সাথে অতিরিক্ত রাগ করার চেষ্টা করা উচিত নয়। কারণ রাগের একটি মুহূর্ত আপনার জন্য  শাস্তি সরুপ হতে পারে।


গল্পটি কেমন লাগলো তা কমেন্ট বক্সে জানাবেন। আর গল্পটি শেয়ার করুন আপনার বন্ধু দের মাঝে যেন,তারাও এই গল্পটি পড়তে পারে।এবং তা পরে বুঝতে পারে। 



Tags: ভালোবাসার ছোট গল্প,রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প কাহিনী,আবেগি ভালোবাসার গল্প,ভালোবাসার কষ্টের গল্প কাহিনী,Breakup love story Bangla,Bangla Love Story Shayari,Sad love story bangla,Breakup love Story Bangla  


antorali.com এই সাইটে বিভিন্ন ধরনের ছোট বড় গল্প কাহিিন যেমন, অনুপ্রেরণা, উপদেশ,শিক্ষনীয় গল্প আছে । 

আমাদের আরও একটি সাইট ; WeBangali.com

Friday, February 26, 2021

হৃদয় স্পর্শ এক ভালোবাসার গল্প ২০২১[Romantic Golpo] আবেগি ভালোবাসার গল্প-অন্তরের গল্প

গল্পটা রায়হান আর রেশমা'র

Valobasar Golpo

আরও পড়ুন; না বলা ভালোবাসার গল্প    Valobasar Golpo

হৃদয় স্পর্শ এক ভালোবাসার গল্প ২০২১[Romantic Golpo] অন্তরের গল্প  bd-express.top
[Romantic Golpo]

আবেগি ভালোবাসার গল্প 



আরও পড়ুন; ভালোবাসার গল্প

এই গল্প টি একটি ছেলের এবং একটি মেয়ের । তারা জন বছর ধরে সেরা বন্ধু ছিল।  এবং তারা কথা বলার জন্য এবং একে অপরের পুরো দিন টেক্সট করার জন্য তাদের মোবাইল ফোন  ঘন্টার পর ঘন্টা ব্যবহার করত। এমন একটি দিন নেই , যেদিন  তারা যোগাযোগ করে নি। এবং একে অপরের সাথে কথা বলে নি।তাদের সবকিছু মিলে ভালো ভাবেই কাটতে ছিল তাদের দিন গুলো। তারা একে অপরের সাথে  সুখী হতে এবং তাদের সময় গুলো  উপভোগ করতে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যেত । 

কিন্তু একদিন ছেলে ,  একদিনের জন্য মেয়েটির কাছে কোনো কথার জবাব দিল না। মেয়ে চিন্তিত হয়ে ওঠে। আমার কিছু ভুল হ'য়ে গেল নাকি।মেয়েটি রাতে  কাঁদছিল এবং সেই সময়ে মেয়েটি বুঝতে পেরেছিল যে , ছেলেটার কাছে আমি  কতটা বোঝা স্বরূপ হয়ে পরেছি।

আরও পড়ুন; জীবনে সফল হতে চাইলে কি কি করতে হবে

পরের দিন.... Valobasar Romantic Golpo

 সকালে মেয়েটি একটি কল পেয়েছিল।  কল টা ছেলে দিয়ে ছিল। ছেলেঃ হাই !! মেয়েঃ আমি তোমাকে কাল অনেক মিস করেছি  , গতকাল তোমার  সাথে কি ঘটেছে ? ছেলেঃ আমি ব্যস্ত ছিলাম। (মিনিটের জন্য নীরবতার পরে ছেলে বলে): আমি মনে করি আমাদের কথা বলা বন্ধ করে দেওয়া উচিত। 

মেয়েঃ কি ? কিন্তু কেন ?   ছেলেঃ দুঃখিত।আমি এতকিছু বলতে পারব না। ভালো থেকো বিদায়। ছেলে টি তাদের সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করে দেয় । আর মেয়ে টি পুরাই হতভম্ব হয়ে গিয়ে ছিল।মেয়ে টি কিছু বুঝতে পারছে না এবং মেয়েটি বেসি একাকী, প্রত্যাখ্যাত এবং ভাঙ্গা অনুভব করছিল।

Valobasar Golpo

আরও পড়ুন; হার না মানার গল্প


ভালোবাসার ছোট গল্প কাহিন

অনেক  চিন্তা করার পর তিনি তাকে ফিরে পেতে শেষ চেষ্টা করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ছিল। তাই, মেয়েটি ছেলে টিকে  ডেকেছে।

 মেয়েঃ হাই !! ছেলেঃ তুমি আমাকে ডেকেছ  কেন ? 

মেয়েঃ আমি তোমাকে কিছু জিজ্ঞাসা করতে যায়। 

ছেলেঃ কি কথা জলদি বল আমার তারা আছে।  

স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার গল্প

মেয়ে (ভারী হৃদয় দিয়ে):তুমি ঠিক আছো ? ছেলেটি কথা বলতে চেষ্টা করছিল কিন্তু মেয়েটি মনে করে , ছেলেটি সত্যিই নিজের ভুল বুঝতে পেরেছে। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে এই যে , ছেলেটি মেয়েটির সাথে কথা বলতে ইতস্তত বোধ করছিল। এবং মেয়েটি তা  বুঝতে পেরে  ভেঙ্গে পরেন এবং একটি নোট রেখে তার বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। কয়েক ঘন্টা পরে ছেলেটি একটি কল পায়। কল টিতে জানাতে পেরেছিল যে মেয়েটি একটি গাড়ীর দ্বারা আঘাত পেয়েছে এবং তার অবস্থা খুবই গুরুতর। ছেলেটি এই কথা শুনে হাসপাতালের দিকে রওনা হয়। মেয়ে টি কে হাসপাতালে ভর্তি করে। ছেলে টি  মেয়েটির হাত ধরে তার পাশে বসে ছিল।

Valobasar Golpo


 ছেলেঃ আমি দুঃখিত , আমায় ক্ষমা করে দেয়।এই সব আমার  দোষ কিন্তু .. আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি আমি তোমায় ছেড়ে কোনো দিন যাব না।তোমার সাথে কথা বলব। তুমি আমার সাথে থাকবে তো .? 

 মেয়েঃ আমি জানি না , আমি আদেও কি তোমার সাথে থাকতে পারব কি না জানি না !! 

ছেলেঃ প্লিজ এই কথা বলো না তুমি। 

 মেয়েঃ আমাকে শুধু  বল যে ,  কেন তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যেতে চেয়ে ছিলে ? তার এই কথার কাছে ছেলেটি সত্য কথা বলতে বাধ্য হয়। 

রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প কাহিনী

Valobasar Golpo

ছেলেটি বলে যে, আমার ক্যান্সার হয়েছে, আমি যখন তখন মারা জেতে পারি। তাই আমি  তোমাকে চিন্তিত করতে চাই নি। কারণ আমি তোমায়  অনেক বেশিই ভালোবেসে  ফেলেছি। আর এজন্যই তোমায় কিছু বলে নি। এবং তোমার থেকে দূরে দূরে থেকেছি।

আর আমি এটা করেছি কারণ   

"আমি তোমাকে অনেক বেশি ভালোবাসি ". !! মেয়েটি বলেঃ আমি তোমায় অনেক  ভালোবাসি । মেয়েটি বলল যে , আমার সময় আর বেশি নেই তুমি ভালো থেকে (মেয়েটি মারা যায়)। 


Valobasar Golpo


নৈতিকতা বা মোরালঃ- ভালোবাসার কষ্টের গল্প কাহিনী

কেউ মারা গেলে , তার আপন জন তার সৃতি নিয়ে বেছে থাকতে পারে ।  এবং যে যিনি মারা যায় নি.. মারা যাবে , তার কারণে মারা যাওয়ার চিন্তা নিয়ে বেঁচে থাকতে পারতেন। : আপনি যদি কাউকে ভালোবাসেন তবে আপনার অনুভূতি গুলো ধরে রাখবেব না। আপনার সমস্যার যত্ন নেওয়ার এবং আপনার ভালোবাসার এবং আপনাকে ভালোবাসার থেকে আপনার সমস্যাগুলি লুকিয়ে রাখবেন না।

আরও পড়ুন ; অনুপ্রেরণার গল্প

>>গল্পটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন। এবং কমেন্ট বক্সে কমেন্টে করবেন।

হোম পেজে জেতে এখানে ক্লিক করুন

<<ধন্যবাদ>> Breakup love story বেংালি



Tags: ভালোবাসার ছোট গল্প,রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প কাহিনী,আবেগি ভালোবাসার গল্প,ভালোবাসার কষ্টের গল্প কাহিনী,Breakup love story Bangla,Bangla Love Story Shayari,Sad love story bangla,Breakup love Story Bangla 

আমাদের আরও একটি সাইট; WeBangali.com এই সাইটে বিভিন্ন ধরনের ছোট বড় গল্প কাহিিন যেমন, অনুপ্রেরণা, উপদেশ,শিক্ষনীয় গল্প আছে । 

Tuesday, February 23, 2021

ত্যাগের পরেই সফলতা আসে[ শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প ] ত্যাগ কাকে বলে ? - বিডি-এক্সপ্রেস.টপ

 শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প


উপদেশ মূলক গল্প | অন্তরের গল্প - বিডি-এক্সপ্রেস.টপ
উপদেশ ও অনুপ্রেরণা মূলক গল্প 

সব সময় একটা কথা মনে রাখবেন জীবনে আপনার যেই স্বপ্ন আছে, যেই লক্ষ্য আছে। সেটা পূরণ করতে হলে আপনাকে কিছু ত্যাগ করতে হবে। ত্যাগ ছাড়া কিছু সম্ভব না। অনেকে আছেন ত্যাগ মানে কি সেটাই বোঝেনা তারা মনে করে ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ না করাই হোল ত্যাগ। মনে করুন আপনি বাইক কিনতে পারেন কিন্তু কিনছেন না এটা হলো ত্যাগ, কিন্তু আমি এটির কথাও বলছি না আমি বলছি আপনার ক্যারিয়ার গড়তে যে ত্যাগ করতে হবে সেটির কথা। আপনি পৃথিবীর বড় বড় ধনী ব্যাক্তি খেলোয়াড় বা প্রতিষ্ঠিত কোন মানুষের জীবনী দেখতে পারেন এবং আপনি তাদের জীবনে ত্যাগ দেখতে পারবেন।  

প্রতিটি মানুষ বড় হতে চায়, বড় কিছু করতে চায় কিন্তু এই সমস্ত কিছু করার জন্য তারা একটা জিনিস করতে পারে না। সেটিই হলো ত্যাগ! নিজের স্বপ্ন পুরনের জন্য যদি আপনাকে খুব সকালে ঘুম থেকে উঠতে হয় আর আপনি তাই করলেন এটাই হলো ত্যাগ। আপনাকে কোন কাজ বা কোন জ্ঞান অর্জনের জন্য অনেক দূরে জেতে হবে আপনি গেলেন এটাই ত্যাগ। কোন বিশেষ দরকার ছাড়া ফেসবুক ইউটিউব ব্যবহার করা যাবে না আপনি এটাই করলেন এটাই হলো ত্যাগ। বন্ধুরা সবাই পার্টি করছে আপনি না গিয়ে নিজের কাজ করলেন এটাই ত্যাগ, প্রয়জনে নিজের বন্ধুবান্ধব, গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড ছেড়ে দেওয়া এটাই হলো ত্যাগ।

আরও পড়ুন;  মার্ক জাকারবার্গ এর সফলতার গল্প

সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প

 আসলে ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়স হলো মানুষের সব থেকে রোমান্টিক সময় আমরা সবাই জানি আমাদের বেশির ভাগ সময় এই সময়টিতে কোথায় কোথায় নষ্ট হয়। এই সময় আমাদের অনেক বন্ধু থাকে এখন যদি আমি সোশ্যাল সাইটে কাউকে উত্তর না দিয়ে থাকি তাহলে কিছুই যায় আসবে না। কিন্তু ১ বছর ২ বছর ৪ বছর পরে আপনি কোথায় থাকবেন সেটা ঠিক হবে আপনার আজকের কর্মের উপরে। কারন এখন আপনি যততা ত্যাগ করবেন কিছু দিন পরে ততটাই সুখের জীবন আপনি পাবেন।


আরও পড়ুন; বিল গেসটের সফলতার গল্প


 আপনি কি জানেন আমাদের জীবনের ৯০% কাজের উপরে আমাদের কন্ট্রোল থাকে।

 জীবনে যেটাই করতে চান বা পাওয়ার ইচ্ছা করেন সেটি যদি আপনি যদি না পেয়ে থাকেন। বা না করতে পারেন তাহলে প্লিজ কোন ওজুহাত দিবেন না। যে সমাজ ভালো ছিলো না, সরকার ভালো ছিলো না, আমার টাকা ছিলো না বাবা মা ভালো ছিলো না, আমার টাকা ছিলো না ইত্যাদি।

সফলতার দিকে আপনি মনোযোগ দিন আপনার লক্ষ্যের দিকে এবং নিজের উপরে বিশ্বাস রেখে কাজ করতে থাকেন। আর ভাবুন কেন আপনি এটা করতে চান ? আপনি যেখানেই থাকেন যে অবস্থায় থাকেন সেটা কোন বিষয় না আপনি যেটা চান তার জন্য আপনি না লড়লে কে লড়বে? 

অনুপ্রেরণার গল্প 

জীবন মানে হলো আপনি বার বার হেরে গিয়ে কতবার উঠে দাঁড়াচ্ছেন সেটা।

নিজের প্রতি একটু রাগ তৈরি করুন। নিজেকে নিজেই প্রশ্ন করুন। কেন আমি এটা পারব না?  প্রতিজ্ঞা করুন যে,আমাকে  যে করেই হোক আমাকে এটা করতেই হবে। কি এমন স্বপ্ন যেটা পূরণ হবে না? 

স্বপ্ন সত্যি হবে, পূরণ হবে, আগে চেষ্টা তো করুন। এই বয়সটিতে মজা কম করে চিন্তা বেশি করেন। তাহলে, বেঁচে থাকার জন্য বাকিটা জীবন মজা করতে পারবেন। তাই, আজই সিদ্ধান্ত নিন স্বপ্ন পূরণ করতে যা কিছু ত্যাগ করতে হয় আপনি করবেন।

যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প

 কারন..? 

আপনি স্বীকার করেন বা না করেন জীবন মানেই হলো ত্যাগ, পরিশ্রম, আর মৃত্যু হলো একমাত্র বিশ্রাম। তাই জীবনে কিছু করতে হলে আপনাকে অনেক কিছু ত্যাগ করতে হবে। 

আমাদের আরও একটি সাইট ; WeBangali.com

অনুপ্রেরণার গল্প 

Monday, February 22, 2021

একটি হার না মানার গল্প [শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প] অনুপ্রেরণার গল্প | বিডি-এক্সপ্রেস.টপ | বাংলা গল্পের এক বিশাল সমাহার

শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প

 
হার না মানার গল্প www.bd-express.top || অন্তরের গল্প
অনুপ্রেরণার গল্প


আপনি কি জানেন হার না মানা গল্প কেমন হতে পারে ? 

সেটা এই গল্প না পড়ে বুঝতে পারবে না। আজ আমরা এমন একজন মানুষের জীবনী নিয়ে কথা বলব, যেটা সম্পর্কে অনেকেই জানেন না।

আরও পড়ুন; স্বামী স্ত্রীর কষ্টের ভালোবাসার গল্প

 হাংগেরিতে একজন ন্যাশনাল হিরো। এবং সে  সেখানকার প্রতিটা মানুষের অনুপ্রেরণার একজন। তার জীবনের এক অবিশ্বাস্য গল্প শুনে হাজার হাজার মানুষ জীবনে ঘুড়ে দাড়াতে শিখেছে। তার একটা কথা মানে জীবন কোন সিমাবদ্ধতার দেয়ালে আটকে রাখার মতো কিছু না। বরং জীবনের আসল অর্থ জীবন যুদ্ধে মোকাবেলা করা আর সীমাবদ্ধতার দেয়াল ভেঙ্গে চুরমার করে দেওয়া

[অনুপ্রেরণার গল্প]

ক্যারলি তাকাস নামের এক হাংগেরিয়ান লোক ছিলেন তিনি পেশায় ছিলেন একজন হাংগেরি সৈনিক। এছাড়াও তিনি একজন  শুটার। তার হাংগেরিতে সব থেকে ভালো শুটার সবকটি ন্যাশনাল প্রতিযোগিতায় জেতা হয়ে গিয়েছিল তার। তার ট্যালেন্ট দেখে সবাই তখন ধরেই নিয়েছিল যে ১৯৪০ সালের ন্যাশনাল অলিম্পিকের গোল্ড ম্যাডেল তিনিই অর্জন করবেন। ক্যারলি সেই ভাবেই নিজেকে গড়তে থাকে তখন তার একটাই স্বপ্ন সে পৃথিবীর সেরা শুটার হবে। সবকিছু ঠিকঠাক ভাবেই চলছিল সামনে আছে আর দুইটা বছর এর মধ্যে আরো শক্তিশালী করতে হবে। 

উপদেশ মূলক গল্প 

১৯৩৮ সালে আর্মিদের এক ক্যাম্প চলছিলো ক্যারলি সেখানে পোস্টিং ছিল। হঠাৎ এক দুর্ঘটনায় পরে যায় সে, যেই হাতকে সে পৃথিবীর সেরা শুটারের হাত বানাতে চেয়েছেন সেই হাত টাই গ্রেনেড বিস্ফোরণে উড়ে যায়। তার এতো বছরের সামর্থ্য, ইচ্ছা, শ্রম, স্বপ্ন সব কিছু এক মুহূর্তে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। তখন তার সামনে শুধু দুইটি রাস্তা খোলা ছিলো। হয় সারা জীবনের মতো একজন হেরে যাওয়া মানুষ হয়ে বেঁচে থাকা। না হয় সেই ভেঙ্গে যাওয়া স্বপ্নকে আবার জীবিত করা। পৃথিবীকে দেখাবে একটি অসম্ভাবকে কিভাবে সম্ভাব করবে তিনি। তার যেটা আছে সেটা নিয়েই আবার স্বপ্ন দেখা শুরু করলো, আর যেটা নেই সেটার দুঃখ ভুলতে শুরু করলেন।


যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প

এতো কিছুর পরেও সে একজন সেরা শুটার হতে চান তার কাছে স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখার মতো ছিল তার একটি হাত তথা তার বাম হাত। যে হাতে সে লিখতেও পারত না ক্ষতিগ্রস্ত হাতের চিকিৎসা চলে ১ মাস ধরে। 


তিনি আবার ট্রেনিং শুরু করে দেয়। 

এক বছর পরে ১৯৩৯ সাল তিনি আবার ফিরে আসে প্রতিযোগিতার মাঠে। হাংগেরিতে ন্যাশনাল শুটিং শুরু হয় সেখানে দেশের সেরা সেরা শুটার আসে প্রতিযোগিতার অন্যান্য শুটার তাকে দেখে অভিনন্দন জানায়। ক্যারলিকে দেখে সবাই বলে এই হলো আসল হিরো যে এই অবস্থায় আমাদের অনুপ্রেরণা দিতে এসেছে। মজার ব্যাপার হলো তখন কেউ জানে না যে ক্যারলিও একবছর শুটিং। করেছে। তাদের প্রতি উত্তরে ক্যারলি বলে আমি এখানে তোমাদেরকে অনুপ্রেরণা দিতে আসিনি আমি তোমাদের প্রতিযোগী।

অনুপ্রেরণার গল্প 

আরও পড়ুন; ভয়ংকর ভূতের গল্প

 প্রতিযোগিতা শুরু হলো সবাই নিজ নিজ শক্তি দিয়ে চেষ্টা করলো আর ক্যারলি তার বাম হাত দিয়েই শুটিং করলো। একহাতের দৃঢ় মনোবলই তাঁকে জয়ী বানিয়ে দিলো কিন্তু এখানেও সে থেমে থাকেনি কারন তার যে ইচ্ছা সে পৃথিবীর সেরা হবে। এর পরে সে ১৯৪০ সালের অলিম্পিকের জন্য মনোনিবেশ করে কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের কারনে বাতিল হয়ে যায়। সে তাকিয়ে থাকে ১৯৪৪ সালের দিকে কিন্তু সেটাও যুদ্ধের কারনেই বাতিল হয়ে যায়। তার সামনে এখন অপেক্ষা ১৯৪৮ সালের অলিম্পিকের দিকে। 

শিক্ষনীয় গল্প - উপদেশ মূলক গল্প 

যদিও ২৮ বছরের তরুন শুটারটি এখন ৩৮ বছর বয়সি হয়ে গেছে তরুন প্রতিযোগিতাদের সাথে টিকে থাকাটা তখন কঠিন হয়ে পরে। কিন্তু তার দৃঢ়তার কাছে সব কিছু তুচ্ছ বলে মনে হলো অলিম্পিক ঘিরে সারা দেশের বাঘা বাঘা শুটারদের সাথে এখন লড়তে হবে। আবার তার একহাতের দৃঢ় মনোবলই তাঁকে জয়ী বানিয়ে দিলো। তাও তিনি থামেন নি ১৯৫২ সালের আবার তিনি জয়ী হন পর পর চার বার তিনি অলিম্পিকের গোল্ড ম্যাডেল জিতেন।

সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প

 ব্যার্থতার হাজারটা কারন ও ওজুহাত থাকে কিন্তু সফলতার একটাই কারন ইচ্ছা শক্তি। ইচ্ছা শক্তি আপনাকে দিয়ে এমন কিছু করাতে পারে যা অপাত দৃষ্টিতে অসম্ভব। 


যারা বলেন আমার ইচ্ছা শক্তি আছে। কিন্তু করতে পারছি না,এর অর্থ আমার জানা মতে, আপনার ইচ্ছা শক্তি এখনও ততোটা শক্তি অর্জন করতে পারেনি যেটা দিয়ে কোনো কাজ করা সম্ভব।

আমাদের আরও একটি সাইট; WeBangali.Com