Thursday, April 29, 2021

Mag Pro Premium Blogger Template Free Download - premium blogger template download _bd-express.top

 Premium Blogger Template Free Download


সুখবর ! সুখবর !! সুখবর !!!

 আপনি কি প্রিমিয়াম ব্লগার টেম্পলেট খুচ্ছেন ? আর তাও আবার একদম ফ্রীতে। তাহলে আর দেরি না করে আমাদের ব্লগ সাইটে আসুন । ohh..!! sorry..!! sorry ..!!  আপনি তো ইতিমধ্যে-ই আমাদের ব্লগ সাইটে চলে-ই এসেছেন ।  আমাদের পক্ষ থেকে আপনাকে আপনার পছন্দের বা আপনি যে ব্লগার টেম্পলেট খুচ্ছেন সে-ই টেম্পলেট গুলো আমাদের সাইটে আসা করি নিশ্চয়ই পাবেন।  আর যদি কোনো টেম্পলেট না পেয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। যার ফলে আপনার প্রয়োজনীয় টেম্পলেট বা থিম টা আমরা আপাকে উপহার হিসেবে দিতে পারি যেন । 

Free Download Mag Pro Premium Blogger Template Free


Premium Template Free Download
MagPro Premium Template Free Download


MagPro Premium Template Free Download

আপনি ভাবতে পারেন কেন আমি এতো সব লিখছি সরাসরি টেম্পলেট টা দিয়ে দিলেই তো হয়  ??   প্রকৃত পক্ষে এই যে, আমাদের ইচ্ছা থাকলেও আমরা বা আমাদের টিম আপনাকে সরাসরি দিবে না । কারন আপনি নিজেও দু-ই টাকা ইনকাম করার জন্য আমাদের সাইটে এসেছেন। আর ঠিক তেমনি আমরাও দু-টাকা ইনকাম করার জন্য এই ব্লগ সাইট ব্যবহার করছি। এই জন্য কিছু নিয়ম - কানুন আমাদের মানে এককথায় সবাই কে এই নিয়ম কানুন মেনে চলতেই হবে । আর এই জন্য এতো বক...বক  করছি।

Mag Pro Premium Blogger Template Free

About Template - থিম সম্পর্কে  

প্রকৃত পক্ষে যে, সকল প্রিমিয়াম থিম সব সময় ভালো-ই হয়ে থাকে। আর প্রিমিয়াম থিম বা টেম্পলেট ব্যবহার করলে অনেক ধরনের সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়। আর এই কিছু সুযোগ সুবিধা আপনাদের কাছে তুলে ধরা হলো । 


•  SEO  এর জন্য প্রিমিয়াম থিমের কোনো জবাব-ই নেই । প্রিমিয়াম  থিম সব সময় SEO করতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে থাকে। 


•   ব্লগারে প্রিমিয়াম থিম  ব্যবহার ফলে Adsense Approval এর সম্ভাবনার পরিমাণ দিগুণ বেড়ে যায়।

 Premium Blogger Template Free download 

•   ব্লগারে প্রিমিয়াম থিম  ব্যবহার ফলে Adsense Ads কোনো প্রকার প্রবলেম হয় না ।  সেটা auto ads  হোক বা  manual ads। 


•   ব্লগার এর Page Speed এর পরিমাণ বেড়ে যায়। 


•   তার থেকে বড় কথা যে ব্লগার কে প্রফেশনাল ব্লগের রুপ দেয়। 

•   Automatic  আপনার ব্লগারের  Footer Credit  আপনার নিজ ইচ্ছে মতো চেঞ্জ করতে পারবেন ।  

Mag Pro Premium Blogger Template Free


এছাড়াও আরও বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়, এই  প্রিমিয়াম থিম ব্যবহার এর ফলে । 


তাহলে আর দেরি না করে Download করে ফেলুন ব্লগার টেম্পলেট। 



  Template  Download করার নিয়ম 

1. সবার প্রথমে নিচে লেখা Download লেখার উপর ক্লিক করুন। 

2. এর পর আপনাকে Redirect করে অন্য পেজে নিয়ে যাবে। 

3.  সেই অন্য পেজে গিয়ে নিচে Scroll Down বা আর্টিকেলের নিচে গিয়ে দেখতে পাবেন Download Link 

4. সেখান থেকে আপনি অনা হাসে Template টি Download করতে পারবেন (ইনশাআল্লাহ) । 


MagPro Premium Template Free Download

[ Demo File ] [ Download File ]

Saturday, April 17, 2021

 বোকা লোকদের চেনার উপায় বা লক্ষন -bd express | বিডি এক্সপ্রেস

বোকা লোকদের চেনার উপায় বা লক্ষন bd-express.top
বোকা লোকদের চেনার উপায় বা লক্ষন

বোকা লোকদের চেনার উপায় বা লক্ষন


বোকা লোক বা যে লোক কিচ্ছু বুঝে-ও বুঝে না। 
আর এমন লোকদের চেনার কিছু উপায়, নিচে দেওয়া হলো। 

বোকা মানুষ চেনার প্রথম লক্ষন

আপনি কি জানেন বোকা লোকদের প্রথম এবং সব থেকে বড় লক্ষণ হলো, একই কাজ বারবার করা কিন্তু প্রতিবার নতুন কিছু ফল পাবার আশা করা । আপনি কি এরকম কাউকে চেনেন ? যে প্রতিবার পরিক্ষার রুটিন দেওয়ার পর পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে শেষের তিন চার দিন খাওয়া ঘুম সব উড়িয়ে দিয়ে, দিন রাত করে ভালো রেজাল্ট করার চেষ্টা করে । আর এই সময়ই প্রতিবার সে এটা প্রতিজ্ঞা করে যে, পরের বার সে একদম বছরের শুরু থেকেই একটু একটু করে রোজ পড়বে, যাতে শেষ মুহূর্তে এসে তাকে নাকে, মুখে এক করে পড়তে না হয় । কিন্তু পরীক্ষাটা শেষ হয়ে যাওয়ার পর, পরের বছর আবার সেই অবস্থায় রয়ে যায়। সারা বছর গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়ানোর পর । সেই আবার রুটিন দেওয়ার পর শেষে তিন চার দিন খাওয়া ঘুম উড়িয়ে পড়াশোনা করে ভালো রেজাল্ট করার চেষ্টা করা । 

বোকা মানুষ কাকে বলে ? 

সে কিন্তু নিজেও জানে যে এভাবে শেষে তিন চার দিন পরে ভালো রেজাল্ট করা যায় না । তার জন্য সারা বছর একটু হলেও নিয়মিত পড়তে হয় । কিন্তু তবু বোকার মতো বার বার সে একই কাজ করে চলে । কিন্তু প্রতিবার নতুন ফল আশা করে । আচ্ছা আপনি কি এরকম কাউকে চেনেন ? যে কিছুদিন পর পরই সোশ্যাল মিডিয়া অচেনা কারোর সাথে দিনরাত এক করে চ্যাটিং করতে করতে তার প্রেমে পরে গিয়ে আকাশ পাতাল স্বপ্ন দেখতে শুরু করে । আর তারপর কিছুদিন পর যখন তার সেই স্বপ্নটা ভেঙে যায় তখন সে বুঝতে পারে , যে হুট করে অচেনা একজন মানুষকে বিশ্বাস করে তাকে নিয়ে এত কিছু ভেবে ফেলাটা ঠিক হয়নি । কিন্তু কয়েকদিন পর আবার সেই একই কাজ করে চলে । আবার নতুন একজন জোটে, আর সেভাবে, এবার সেরকম কিছু হবে না । কিন্তু আগের মতোই কিছু হয় ।


 কিন্তু তবু সে নিজেকে শুধরে নিতে পারে না । 

অর্থাৎ বোকার মতো বার বার সে একই কাজ করে চলে । কিন্তু প্রতিবার নতুন ফল আশা করে । 


দ্বিতীয় লক্ষণ, বোকা লোকদের চেনার উপায় বা লক্ষন

 বোকা লোকদের দ্বিতীয় সব থেকে বড় লক্ষণ হলো সকল 

ক্ষেত্রেই বলে যে৷, আরে ভাই আমার সব জানা আছে । আপনি কি এরকম কাউকে চেনেন ? যেমনঃ আপনি পৃথিবীর যে বিষয় নিয়ে কিছু বলতে যাবেন না কেনো সে আপনাকে এরকম একটা হাফ ভাব দেখাবে যে , সেই বিষয়ে অলরেডি আপনার থেকে অন্তত বেশি জানে । উদাহরণ স্বরূপ বলতে,  একজন লোক হয়তো তার টাকা পয়সা বাজে ভাবে খরচ করে । আর তাই ইনভেস্ট করার ভালো কোনো একটা শেয়ার মার্কেট খুঁজছে । কিন্তু সে শেয়ার মার্কেট সম্পর্কে কোনো ধারণায় নেই। 

আপনি তাকে সাহায্য করার জন্য যদি তাকে কিছু বলতে গেলেন , এবার সে কিন্তু শেয়ার মার্কেটের ব্যাপারে কোন বই পড়া তো দূরে থাক শেয়ার মার্কেট কিভাবে কাজ করে  ? সেই ব্যাপারেও পরিষ্কারভাবে জানে না ।  কিন্তু আপনি কিছু বলার আগেই সে বলতে শুরু করে আরে আমি এই টা জানি ঐ টা জানি। আমায় শেখানো লাগবে না, কোনো সাহায্য করা লাগবে না । নিজের চক্রায় নিজে তেল দেও। 


কারা বা কোন মানুষ বোকা ? 

সত্য কথা এটাই যে, ষোল আনা যে প্রকৃত জ্ঞানী ব্যক্তি তার মধ্যে আপনি কখনো অহংকারের লেশমাত্র খুঁজে পাবেন না । কারণ যে প্রকৃত জ্ঞানী ব্যক্তি সে জানে যে তার জ্ঞান আসলে কতটা সীমিত ।  ঠিক এই কারণেই স্যার আইজ্যাক নিউটন বলেছিলেন যে, " আমি যা জানি তা যদি আকারে একটা জলবিন্দুর সমান হয় তবে, আমি যা জানি না তা হল আকারে সমুদ্রের সমান "।  


বোকা লোক চেনার তৃতীয় লক্ষণ

 বোকা লোকদের তৃতীয় লক্ষণটা হলো, প্রশ্ন না করে অন্ধের মতো বিশ্বাস করা । এমন লোকদের যে যা বলে সে এক কথায় বিশ্বাস করে নেয় । কখনো প্রশ্ন করে একটা সত্যতা যাচাই করার কষ্ট করে দেখে না । উদাহরণ স্বরূপ একজন লোক সে হয়তো দাড়ি না গজানোর সমস্যায় ভুগছে । তো তাকে কেউ একটা বললো যে এই তেলটা ব্যবহার করলে মাত্র এক সপ্তাহে দাড়ি গজিয়ে যাবে ।  আর সেও সাথে সাথে তেল কিনে নিয়ে এসে ব্যবহার শুরু করে দিলো । তেলটা কেনার আগে তেলটার গায়ে যে কিছু  লেখা আছে মানে তেলটা যে,  কি কি দিয়ে তৈরি সেগুলো আদৌ দাড়ি গজাতে সাহায্য করে কিনা তার কোনো scientific evidence আছে কিনা এসব কিছু জানার জন্য সামান্য উপযুক্ত প্রমাণ করার কষ্ট টুকুও সে করলো না । 


কোন মানুষ বোকা কিছুই বুঝে না

কেউ একজন বলল আর সাথে সাথে অন্ধের মত বিশ্বাস করে ব্যবহার  শুরু করে দিল । আর এক সপ্তাহ পরে তার দাঁড়ি হয়তো গজালো না, কিন্তু মুখে গোটা গোটা  ব্রণ ঠিক গজিয়ে গেল । বা তার কোন  বন্ধু এসে হয়তো তাকে বুদ্ধি দিল এই প্ল্যাটফর্ম এ টাকা লাগা, ছয় মাসের মধ্যে  ডবল টাকা ফেরত পাবি ১০০% গ্যারান্টি।  আর সে তার বন্ধুর কথায় বিশ্বাস করে ঐ প্ল্যাটফর্ম এর ব্যাপারে কোনো কিছু না জেনে বা কোন খোঁজ খবর না নিয়ে, এমনকি অফারটার ডকুমেন্ট টাও একবারের জন্যও চোখ বুলিয়ে না পড়ে, সাথে সাথে নিজের কাছে জমানো যত টাকা ছিল সব টাকা সেই প্ল্যাটফর্ম টাতে ইনভেস্ট করল  ।  তারপর ছমাস পর জানতে পারলো টাকা ডবল তো দূরে থাক পুরো টাকা সহ প্ল্যাটফর্ম টি গুম হয়ে গেছে । 

আমাদের আরেকটি সাইটে পড়ুন;  অনুপ্রেরণার গল্প 

 এভাবে বোকার মতো নিজের সেই  বন্ধুর কথায় অন্ধের মত বিশ্বাস করে সে নিজের সমস্ত জমানো টাকা হারালো


যদি এই ব্লগ টি তোমার কাছে  ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবে। আর শেয়ার করতে ভুলবেন না।


আমাদের আরও একটি সাইট; WeBangali.Com

Wednesday, April 14, 2021

শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা ও সফল হবার পাঁচটি উপায়(Recommended) Success Story Bangla - BD Express

 সফল ও অনুপ্রেরণার গল্প - Success Story Bengali


শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা ও সফল হবার পাঁচটি উপায়(Recommended) Success Story Bangla - BD Express
শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা ও সফল হবার পাঁচটি উপায়

আজ আমি পাঁচটা সফল হওয়ার উপায় তোমাদের সাথে শেয়ার করব! 

এক নাম্বার ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলা

 ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলা এমন একটা শব্দ যেটা আমাদের সফলতা  এর ভিত তৈরী করে । যেকোনো সফল মানুষকে দেখে নাও, সে বড় ব্যাবসায়ী হোক কিংবা বড় খেলোয়াড় ,বা  বড় আর্টিস্ট বা কোনো টপার  হোক না কেন। সে তার লাইফ এ একটা ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলা অবশ্যই অনুসরণ করে । আর এই ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলা শুধুমাত্র সফলতার ভিত তৈরী করে না, বরং সফল হয়ে যাওয়ার পরে সেটাকে ধরে রাখতেও অনেক সাহায্য করে । এরকমও অনেক উদাহরণ আছে । যারা সফল হয়ে যাবার পরে লাইফ এ শুধুমাত্র ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলা এর অভাবে আবার সব কিছু হারিয়ে ফেলেছে । 


সকালে ঘুম থেকে টাইম এ ওঠেএবং সবাই সবার ধর্মীয় কাজ শেরে, ব্যায়াম বা শরীর চর্চা করা হোক । কিংবা আজকের কাজ আজকেই করব এই মন মানষিক নিজের মধ্যে ধরে রাখা হোক । এই সবকিছুই কিন্তু ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলা এর মধ্যেই পড়ে । একটা ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলা জীবন এর মধ্যে এছাড়াও আরও অনেক কিছু পরে । যেগুলো তোমরা আশা করি প্রত্যেকেই জানো । তাই যে মানুষ তার নিজের লাইফে ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলা থাকে । তার সফল হওয়ার চান্স এবং সফলতা ধরে রাখার চান্স এই দুটোই কিন্তু অন্যদের থেকে একটু হলেও বেড়ে যায় । এবার বলি

দুই নাম্বার বলতে না পারার ক্ষমতা 

সফল হতে চাইলে কিন্তু আমাদের অনেক ক্ষেত্রে না বলতে শিখতে হয় । সবার আগে দুটো জিনিস আমাদের মনে রাখতে হবে । তার মধ্যে একটা জিনিস তোমরা অনেকবার শুনেছো , সেটা হলো তুমি হাজার চেষ্টা করলেও সবাইকে খুশি করতে পারবে না । কিন্তু দু নম্বর জিনিসটা তোমরা কারোর মুখে খুব একটা শুনে থাকবে না ।  কিন্তু  সেটাও সমানই গুরুত্বপূর্ণ । সেটা হলো তুমি হাজার চেষ্টা করলেও নিজের মনকে সব সময় খুশি করতে পারবে না । তাই আমাদের যেমন মাঝে মাঝে আমাদের ওপর দিকে থাকা কিছু মানুষকে না বলতে শিখতে হবে । তেমনি মাঝে মাঝে নিজের মন টা কেও না বলতে শিখতে হবে । একটা ছোট্ট উদাহরণ দিয়ে এই দুরকম না বলার ব্যাপারটা তোমাদের বুঝিয়ে দিই । 


সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প

ধরো তোমার পড়ার টাইমে তোমার একটা বন্ধু তোমাকে ফোন করে বলল , আরে এত পড়ে কি করবি ? আজকের মতো  পড়াশোনা রাখ । চল একটু আড্ডা মেরে আসি ।  কিন্তু তোমার পড়াটা সেদিন খুব গুরুত্বপূর্ণ। তো এক্ষেত্রে তুমি যদি তোমার বন্ধুকে খুশি করতে চাও তাহলে পড়াশোনা সেদিনকার মতো শেষ করে দিয়ে তার সাথে যেতে হবে ।  তাই এক্ষেত্রে তোমাকে না বলতে শিখতে হবে । কিন্তু এই না বলাটা অনেক সহজ। 

 কঠিনটা এবার আসবে। তুমি তোমার বন্ধুকে না বলে দিলে সে রেখে দিলো । এবার যেই তুমি পড়তে বসলে একটু পরে তোমার মন তোমাকে বলতে লাগলো এতো পড়ে কি হবে ? এখন একটু পড়াটা বাদ দে , চল একটু মোবাইল ঘাটি । এক্ষেত্রে কিন্তু না বলাটা বেশ কঠিন । কিন্তু তুমি যদি এই ক্ষেত্রে একবার না বলতে শিখে যাও , তাহলে কিন্তু বাইরের লেবেলে না বলাটা তোমার কাছে কোন ব্যাপারই থাকবে না । আশা করি তোমরা নিজের সাথে পুরো ব্যাপারটা রিলেট করতে পারছ । তাই যেখানে তোমার ক্যারিয়ার, হেলথ, ইমোশন, ফিউচার ক্ষতি হবে বলে তুমি মনে করবে সেখানে না বলতে শিখে যাও । সেটা বাইরের লেবেলে হোক কিংবা নিজের মনের এর লেভেলে এ হোক  । 

তিন নাম্বার কমফোর্ট জোন বা আরাম দায়ক

কমফোর্ট জোন আর সফল  এই দুটো কিন্তু সম্পূর্ণ দুই জিনিস । হয় আমরা কমফোর্ট জোন কে বেচে নিয়ে আরাম করতে পারি । না হয় আমরা কমফোর্ট জোন থেকে বেরিয়ে একশন নিতে পারি, এবং সফলতা  এর পথে এগিয়ে যেতে পারি। আর কমফোর্ট জোন এর মধ্যে বসে থাকা মানে কিন্তু শুধু ফিজিক্যাল কিছু  নয় । অনেক সময় আমরা কোন একটা কাজকে করে দেখার আগে মন এর লেভেল এ হেরে যাই বা ভয় পেয়ে গিয়ে সেই কাজটা করার রিস্কই নিই না । আবার অনেক সময় আমরা ফিজিক্যাল লেভেলে কঠোর পরিশ্রম করতে ভয় পাই । যদিও সেটাও মন মানষিক  এর কমফোর্ট জোন থেকেই তৈরি হয় । কিন্তু যে কোন সফল ব্যক্তি কে মানুষকে দেখলে বুঝতে পারবে তারা নিজের লাইফ এ বারবার কমফোর্ট জোন কে ব্রেক করে । তারা বার বার নিজেকে একটু বেশি উন্নতি  করে, নিজেকে  আরেকটু বেশি প্রচেষ্টা দেওয়ার জন্য । 


যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প

আর এই করতে করতে তাদের কমফোর্ট জোন এর বৃত্ত টা অনেক বড় হয়ে যায় । তুমিও যদি সফলতা এর পথে অন্যদের থেকে একটু এগিয়ে থাকতে চাও, তাহলে আজই নিজের কমফোর্ট জোন থেকে বেরিয়ে একটু কঠোর পরিশ্রম করো।


 নাম্বার চার  কিছু করার আগে এক্সপার্ট এর পরামর্শ নেওয়া

 সফল ব্যক্তি-রা  যখন দেখে যে একটা কাজে তার যতটা বুদ্ধি  লাগানোর ক্ষমতা ছিল, সে লাগিয়ে ফেলেছে তবুও সে সফল হচ্ছে না । তখন তারা সরাসরি করে, কাজ দেওয়ার আগে সেই ফিল্ডের একজন এক্সপার্টের থেকে পরামর্শ অবশ্যই নেয় ।  একটা ছোট্ট উদাহরণ দিই , ধরো তুমি তোমার বাড়ির দেওয়ালে একটা পেরেক পুঁতবে ।  তো অনেকক্ষণ ধরে হাতুড়ি নিয়ে পেড়েকটা পোঁছার চেষ্টা করছো। পেরেক বেঁকে কিন্তু কিছুতেই পেরেক দেওয়ালের ভেতরে ঢুকছে না । তুমি সব রকম পেরেক এবং সব রকম হাতুড়ি দিয়ে চেষ্টা করে ফেলেছো , সাধারণ মানুষ হলে কি করবে তখন তা ছেড়ে দেবে ? 

একবার এটা বোঝার চেষ্টা করেছো,যে পেরেক বেঁকে যাচ্ছে কিন্তু কিছুতেই পেরেক দেওয়ালের ভেতরে ঢুকছে না । তুমি সব রকম পেরেক এবং সব রকম হাতুড়ি দিয়ে চেষ্টা করে ফেলেছো ।  সাধারণ মানুষ হলে কি করবে হার মেনে নেবে। আর এতক্ষণ ধরে তার করা খুটিনাটি  বেকার হয়ে যাবে । কিন্তু  সফলতা  মেন্টালিটির মানুষেরা কি করবে ? সেই কাজে এক্সপার্ট  একজনকে নিয়ে এসে দেওয়ালটা দেখাবে । হয়তো দেখা যাবে তোমার মাথায় যেটা আসেনি তার মাথায় সেটা আসবে । সে হয়তো দেওয়ালটা ভালোভাবে দেখে খুঁজে বার করবে । যে তুমি যেখানে এতক্ষণ ধরে পেরেক পোঁতার চেষ্টা করছিলে সেখানে একটা পিলার আছে ।  তাই এতবার পেরেক এবং হাতুড়ি বদলেও তুমি সফল হতে পারছিলে না । সে কি করবে তার থেকে কয়েক ইঞ্চি দূরে তোমাকে পেড়েকটা পোতার পরামর্শ দেবে । আর তোমার কাজটা সব হয়ে যাবে । এটা একটা ছোট্ট উদাহরণ ছিল । 


 উদাহরণ টা দেওয়ার উদ্দেশ্য এটাই ছিল যে, যখন দেখবে কোনো একটা কাজে বিভিন্নভাবে চেষ্টা করার পরেও তুমি সফল হতে পারছো না, তখন হাল ছেড়ে দেওয়ার আগে একবার অন্তত কারোর পরামর্শ অবশ্যই নিও । কে বলতে পারে হয়তো সফলতা তোমার থেকে মাত্র কয়েক ইঞ্চি দূরেই রয়েছে । 


 নাম্বার পাঁচ ধৈর্য ধারণ 

সবকিছু করার পরেও যদি আমাদের মধ্যে ধৈর্য্য না থাকে, তাহলে সফলতা ঠিক আমাদের পাশ ঘেঁষে বেরিয়ে যাবে । আমরা কিন্তু সেটাকে ধরতে পারবো না, রেজাল্ট পাওয়ার জন্য ধৈর্য ধরতেই হবে । আর একটা কথা তো আমরা ছোট থেকেই শুনে আসছি যে ধৈর্যের ফল কিন্তু সব সময় মিষ্টিই হয় । তাই সফল হতে গেলে আমাদের ধৈর্য ক্ষমতা কিন্তু বাড়াতেই হবে । 


এই ব্লগ টি পড়ে তোমার কাছে কেমন লাগলো তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। এবং এর একটি শেয়ার করবেন, যেন এই ব্লগ টি অন্য সবাই পড়তে পারে। আজ এতটুকুই আবারও শীঘ্রই কথা হবে অন্য একটি ব্লগ নিয়ে। 





Tags: Positive stories bangla, Motivational story in bengali, Success story in bengali,Positive story in bengali, Educational story in bengali, Failure story in bengali, Bangla motivation, যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প, সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প, শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প

আমাদের আরও একটি সাইট; WeBangali.Com

Monday, April 12, 2021

সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প (WeBangali.com-উপদেশ ও অনুপ্রেরণার গল্প)

Bangla Best Inspiration Story সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প

সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প bd-express.top
Bangla Inspiration and Motivational Story

শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প

 হয়তো কেউ একবার খুব দামি একটা কথা বলেছিল যে , চাঁদ কোনদিনও আমাদের কানে কানে এসে বলে না, যে আমি কতটা সুন্দর । বরং আমরা নিজেরাই বুঝে যাই যখন সেই চাঁদের জ্যোৎস্না এসে আমাদের চারপাশে পড়ে । 


আজ থাকছে ছোট একটা গল্প আপনাদের জন্য । গল্পটা এক রাজ্যে থাকা এক পন্ডিত ব্যক্তির। এবং সে এতটাই ছিল বিদ্বান ছিল যে , দেশ বিদেশ থেকে বিভিন্ন রাজ্যের রাজারা তার কাছে জ্ঞান লাভের জন্য আসতো । পন্ডিত যে রাজ্যে থাকত সে রাজ্যের একটা নিদিষ্ট স্থানে প্রত্যেক দিন সভা বসত ।সেই সভায় পন্ডিত মশাই ও রাজামশাই সহ বাকি সদস্যরা উপস্থিত থাকতেন । প্রত্যেক দিনের মতো এমনই একটা দিনে সভা বসে সেখানে পন্ডিত, রাজা সহ সবাই উপস্থিত ছিল। এবং একটা সময় পরে সেই সভা সমাপ্ত হলো। এবং পন্ডিত মশাই উঠে দাঁড়ায় বাড়ি যাওয়ার জন্য । ঠিক সেই সময়তেই রাজামশাই পিছু ডেকে পন্ডিত মশাইকে জিজ্ঞাসা করেন । পন্ডিত মশাই আমি আপনাকে আজকে কিছু একটা বলতে চাই যে , আপনি এত বিদ্বান প্রকৃতির মানুষ, আপনার মধ্যে জ্ঞানের এতো ভান্ডার রয়েছে কিন্তু আপনার ছেলে এত মূর্খ কেন ? 

রাজা মহশাইয়ের কথা শুনে পন্ডিত বলে কেন রাজামশাই আমার ছেলে কি করেছে যে আপনি তাকে মূর্খ বলছেন । রাজা বলে কারণ আমি তাকে যতবারই সোনা আর রুপোর মধ্যে থেকে যেটা সব বেশি দামী সেটা বাঁচতে বলি প্রত্যেক বারই সে রুপোটাকে বেছে নেয় । রাজার এই কথা শুনে রাজসভার প্রত্যেকেই হু হু করে হেসে ওঠে । পন্ডিত মশাই তো খিল্লি উড়ে গেছে। লজ্জায় সে কি করবে সেখান থেকে বিদায় নেয় বাড়িতে চলে যায় । বাড়িতে গেছে সেখানে ছেলে জল নিয়ে বাবাকে জল দেবে জল গ্রহণ করবে।  যখন ছেলে গ্লাসে করে জল নিয়ে এলো তখন বাবা বললো। 


 তুই আগে আমাকে বল যে সোনা, রুপোর মধ্যে কোনটা সবচেয়ে বেশি দামি ? ছেলে বিদ্যুতের গতিতে জবাব দেয় যে,   সোনা সবচেয়ে দামী  ? তখন তার বাবা বলে যে, তাহলে তুই রাতসভাতে গিয়ে কেন বলিস ? যে রূপ সবচেয়ে বেশি দামী। ছেলে বলে আসলে হয়েছে কি বাবা আমি যখন প্রত্যেক দিনই বিদ্যালয় থেকে ফিরি তখন আমি দেখি রাজামশাই বিভিন্ন বিদ্যান লোক নিয়ে, বিভিন্ন সপ্রতিষ্ঠ লোকেদের নিয়ে একটা সভা বসায় খোলা জায়গাতে । সভা বসায় তো সেখানে বিভিন্ন গণ্যমান্য লোকেরা আসে, রাজামশাই কি করে আমাকেও সেখানে ডেকে নেয়। এবং ডেকে নিয়ে প্রত্যেক দিনই আমাকে শুধু একটা কাজ দেয়। নিজের দুটো হাতের মধ্যে এক হাতে সোনা রেখে দেয়, আর এক হাতে, রুপো রেখে দেয় । এবং বলে যে কোনটা সবচেয়ে বেশি দামী সেটা তুমি তুলে নিয়ে যাও । তো আমি প্রত্যেক দিন-ই  রুপোটাকে তুলে নিই । সেখানে যারা বাকি সদস্যরা থাকে হো হো করে হেসে ওঠে আমাকে দেখে । তখন আমি কিছু বলতে পারি না , সেটাকে নিয়ে বাড়িতে চলে আসি । 


তখন তার বাবা বলেন আচ্ছা তুই যখন জানিস যে রুপোর থেকে সোনা সবচেয়ে বেশি দামী , তাহলে তুই রুপো টাকে-ই তুলিস কেন বল আমায় ? 

ছেলে কিছু  না বলে তার বাবাকে নিয়ে ঘরের ভেতরে চলে  যায় ।  এবং ছেলে বলে এসো আমি তোমাকে কিছু একটা দেখাতে চাই। ছেলে তার বাবাকে  ভেতরে নিয়ে যায় এবং সেখানে বড় মত একটা সিন্দুক ছিল সেটাকে খুলতে বলে ছেলে বাবাকে । যখন খোলে তখন তার বাবার চোখ ছানা বড়া হয়ে যায় । বাবা দেখতে পায় যে, সিন্দুকে প্রচুর রুপোর মুদ্রারা রাখা ছিলো । এই সব দেখে বাবা বলে এগুলো কি ? ছেলে বলে এগুলোই তো সেই রুপোর কয়েন , যেগুলো আমি রাজার কাছ থেকে প্রত্যেক দিনই নিয়ে আসি । এই কথা শুনে পন্ডিত মশাই যা বোঝার বুঝে যায় । 


যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প

ছেলে তখন বলে যে , বাবা আমি প্রত্যেক দিনই সোনা রুপোর  কয়েনর মধ্যে রুপোর কয়েন নিই এই কারণে যে , যদি আমি সোনার কয়েন রাজা মশাইয়ের  হাত থেকে তুলি নিই তাহলে সেদিনই খেলাটা বন্ধ হয়ে যাবে । ফলে একটি সোনার কয়েন নিলে হয়তো  হাজারো রুপোর কয়েন পেতাম না।তাই আমি সোনা রুপোর মধ্যে রুপো টাকে বেছে নিই প্রত্যেক বার।

এই কথা শুনে তো পন্ডিত মশাই বুঝে গেছে যে৷ তার ছেলে প্রচন্ড রকমের তীক্ষ্ণ ও বুদ্ধি সম্পূর্ণ  । 

পন্ডিত মশাইয়ের ছেলের এই কথাটা আর পেটে চেপে রাখতে পারেন না ।  পরের দিনই চলে গেছে রাজার দরবারে । সেখানে গিয়ে ছেলেকে নিয়ে গেছে, ছেলে যখন রাজাকে সমস্ত কথাটা জানালো এবং বলল যে, রাজা মশাই, আমি প্রত্যেক দিনই আপনার হাত থেকে রুপোর কয়েন নেই এই কারণে যে , আমি যদি কোনদিন সোনার কয়েন তুলে নিতাম তাহলে আপনি হয়তো  সেদিনের  পর থেকে আর আমায় ডেকে নিয়ে বলতেন না যে, কোনো দুটো কয়েনের মধ্যে একটি কয়েন বেছে নাও। 


 রাজামশাই এই কথা শুনে খুব খুশি হয়। আর এই ছেলের এই কথার কারণে খুশি হয়ে সারা রাজ্যে  ঘোষণা করে দেয় যে , সেই সবচেয়ে বেশি বিদ্বান, পন্ডিত, চালাক,চত্বর জ্ঞান সম্পূর্ণ ছেলে । এবং আরও রাজামশাই বলে , পন্ডিতের বিদ্যান অনুযায়ী তার  এমন ছেলেই পন্ডিতের ছেলে হবার জন্য  একমাত্র যোগ্য । এবং রাজামশাই  খুশি হয়ে  তাকে একটা বড় বাক্সে করে সিন্দুক ভর্তি  করে তাকে  স্বর্ণের কয়েন  উপহার হিসাবে দেয় । 


এই সব ছোট ছোট  গল্প আমাদেরকে শিখিয়ে দিয়ে যায় যে, বন্ধু আপনার মধ্যে যদি সামর্থ্য থাকে বা অসীম ক্ষমতা থাকে তাহলে সেটা কোনোদিন কারোর কাছে বলার দরকার নেই বা  নিজেই মুখ ফুটে কোনো দিনও বলতে যাবেন না । কারণ যখন সময় আসবে সেদিন-কে আপনার বিশেষ ক্ষমতা টা আপনা-আপনিই গোটা পৃথিবী জেনে যাবে । হয়তো আমার কথা আপনি কিছু টা হলেও বুঝতে পেরেছেন। একটা কথা আছে বাংলায় যা আমি গল্পের প্রথমেই বলে দিয়েছি  যে , চাঁদের জ্যোৎস্না আর সূর্যের আলো বা তেজ কোনদিনও চেপে রাখা যায় না । সেটা একদিন না একদিন বেরিয়ে আসে । তেমন ভাবেই যদি আপনার অসীম বা বিশেষ ক্ষমতা থাকে, তাহলে  সেটার সম্পর্কে অন্যের কাছে বলার দরকার নেই । কারণ জীবনে একদিন সফলতা  আসবেই, আর সেই দিনকেই গোটা পৃথিবী জেনে যাবে বা বুঝতে পারবে তোমার অদৃশ্য ক্ষমতার ব্যাপারে। 


 যদি আপনার জীবনে সংঘর্ষ থাকে তাহলে , আপনি নিজের উপরে গর্ব বোধ করুন।  কারণ যার জীবনে সংঘর্ষ নেই তার জীবনে সফলতা বা সফলতার যে আনন্দ বা শান্তি কিছুই আর থাকে না।  আর তখন সে জীবনে সফল হয়েও  সফলতার সুখ ভোগ করতে পারে না । 

আমরা বাঙালী ব্লগের পক্ষ থেকে আমি অন্তর। এই গল্প টি তোমার কেমন লাগলো তা কমেন্টে করে জানাবে। কারণ তোমার একটি কমেন্ট আমার কাছে অনুপ্রেরণা স্বরুপ। ভালো থেকে আর ভালো রেখো 



Tags: Positive stories bangla, Motivational story in bengali, Success story in bengali,Positive story in bengali, Educational story in bengali, Failure story in bengali, Bangla motivation, যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প, সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প, শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প

আরও অনুপ্রেরণা মূলক গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Friday, April 2, 2021

অনুপ্রেরণামূলক গল্প(Motivational Story Bangla) উপদেশ মূলক গল্প সমূহ[সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প]
অনুপ্রেরণামূলক গল্প(Motivational Story Bangla) যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প
একটি শিক্ষনীয় ও অনুপ্রেরণার গল্প

সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প

  দুজন ব্যাক্তি একটা খালের ধারে বসে মাছ ধরছিল । ওই খালের  পানিতে নিজেদের ছিপ ফেলে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর,  প্রথম ব্যক্তির ছিপে একটা বড় মাছ আটকায়। সে সেই মাছ টাকে ধরে খুবই আনন্দিত হয়। সে মাছটাকে তার কাছে থাকা একটা থলিতে  রেখে দেয় আর আবার পানিতে ছিপটা ফেলে দেয় ।আবারও ছিপে মাছ উঠে তা দেখে লোক টি খুব আনন্দিত ছিল।


শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প

 জীবনেও আমরা এমন কিছু কাজ করে থাকি । দেখা যায় তখন অনেক সহজেই আমাদের কাছে অনেক বড় আনন্দের রেজাল্ট চলে আসে। আমাদেরও উচিত ওই প্রথম ব্যক্তির মত সেই সফলতার আনন্দের সঙ্গে এনজয় করা । কিন্তু সেই আনন্দে ভেসে না গিয়ে আবার নতুন করে কাজ শুরু করতে হবে।

গল্পের যে দ্বিতীয় ব্যক্তিটি ছিল সে অনেকক্ষণ ধরে ছিপ ফেলে অপেক্ষা করা সত্ত্বেও,  তার ছিপে কোন মাছ উঠেনি। আর এইটা  দেখে প্রথম ব্যক্তি দ্বিতীয় ব্যক্তিটিকে বলেছিল যে, আমি তোয়ায় মাছ ধরতে কি সাহায্য করব ?   কিন্তু দ্বিতীয় ব্যক্তিটি সরাসরি তাকে না বলে দিয়েছিল ।এরপর প্রথম ব্যক্তিটি আর কিছু বলেনি। সে আবার নিজের মাছ ধরাই ব্যস্ত হয়ে যায়। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই আবারও অনেক বেশ কিছু ছোট ছোট মাছ ছিপে উঠেছিল। 


কিছু শিক্ষনীয় কথা

 আমাদের জীবনেও সব সময় কিন্তু প্রথম ব্যক্তির মত রেজাল্ট আমরা পাই না ।  অনেক সময় আমরা অনেক প্রচেষ্টা করার পরেও আমাদের হাতে কোন রকম রেজাল্ট আসে না । তখন আমাদের উচিত,  সেই কাজের জন্য অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ  কোনো মানুষের সাহায্য নেওয়া । কিন্তু আমরা অনেক সময় নিজের ভেতরকার অহংকারের কারণে অন্য কারোর থেকে সাহায্য নিতে স্বচ্ছন্দ বোধ করি না ।  আমরা যখনই কোন স্বপ্ন দেখি বা কোন লক্ষ্য স্থির করি আর যখন সেই লক্ষ্যের জন্য কাজ শুরু করি ।  তখন এই প্রকৃতি কিন্তু বারবার আমাদের কাছে কিছু মানুষকে পাঠিয়ে দেয় , যারা আমাদের এই স্বপ্নের জার্নিতে সাহায্যকারী হতে পারে । 

অনেক সময় এটা ডাইরেক্টলি আবার অনেক সময় এটা ইনডাইরেক্টলি হয়। কিন্তু আমরা আমাদের মনের মধ্যে তৈরি থাকা বিশ্বাস সিস্টেমের চশমা পড়ে থাকি বলে , তাদেরকে দেখতে পাই না । আর অনেক সময় দেখতে পেলেও আমরা অহংকারের কারণে সাহায্য নিতে বা পরামর্শ নিতে চাই না ।


 কিন্তু সফল হতে গেলে আমাদের এই চশমাকে খুলে ফেলে, অহংকার কে মন থেকে দূর করে ফেলতে হবে । আর সফল মানুষদের থেকে শিখতেই হবে। তারা শেখাতে না আসলে আমাদের নিজে থেকে তাদের কাছে শিখতে যেতে হবে । আর বুদ্ধিমান ব্যাক্তিরা কিন্তু এটাই করে থাকে। 


যখন দ্বিতীয় ব্যক্তির ছিপে মাছ উঠে ছিল

  অনেক খুন পরে গল্পের দ্বিতীয় ব্যক্তির ছিপে কয়েক টা বড় বড় মাছ উঠে ছিল। কিন্তু  সে সেই মাছ গুলোকে দেখছিল আর কিছু একটা ভাবছিল।  আর আবার সেই মাছ গুলোকে  খালের পানিতে ছেড়ে  ছেড়ে দিচ্ছিল । এই দেখে প্রথম ব্যক্তি তাকে জিজ্ঞেস করে যে , আপনি কেন এমন করছেন ?  দ্বিতীয় ব্যক্তি সে উত্তর দেয় যে , আমার ধরা মাছ গুলো সাইজ অনেক বড় । আর এই বড় মাছ গুলো রান্না করার মতো আমার কাছে তেমন কোনো বাসন নেই । সেই জন্য আমি এই বড় মাছ গুলোকে জলে ফেলে দিচ্ছি। আর আমার  কাছে থাকা বাসনের সাইজ অনুযায়ী কোন ছোট মাছের জন্য অপেক্ষা করছি । 

আর গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন 

এই দ্বিতীয় লোক টা থেকে আমরা যা শিখতে পারি


এই দ্বিতীয় লোক টা থেকে আমরা শিখতে পারি ,মনে করো এখানে দ্বিতীয় ব্যক্তির ছিপে ধরা পড়া একেকটা বড় বড় মাছ আমাদের জীবনের আসা একেকটা বড় বড় সুযোগের মতো । যেগুলো আমাদের প্রত্যেকের জীবনে বারবার আসে না। আমরা কঠোর পরিশ্রম করে সুযোগ গুলো তৈরি তো করি ।  কিন্তু আমরা ওই দ্বিতীয় ব্যক্তির মতই এক এক করে সুযোগকে নষ্ট করে ফেলি।  কেন নষ্ট করে ফেলি ? নষ্ট করে ফেলি, কারণ আমাদের মধ্যে নিজেদের নিয়ে এমন কিছু বিশ্বাস সিস্টেম তৈরী হয়ে আছে, যাতে যখন আমাদের কাছে সেই সুযোগ আসে আমরা সেগুলোকে নিজেদের শক্তি অনুযায়ী ম্যাচিং করার চেষ্টা করি । আর যখন দেখি যে আমাদের দক্ষতা অনুযায়ী , আমাদের ক্ষমতা অনুযায়ী ,  কিংবা আমাদের বর্তমান অবস্থার অনুযায়ী সেই সুযোগগুলো একটু বেশি বড়ো । আমরা সেগুলোকে সাথে ফিট করতে না পেরে নষ্ট করে ফেলি ।

 কখনো আমাদের অবস্থা অনুযায়ী আমাদের শক্তি অনুযায়ী সুযোগ আসবে, তার জন্য আবার অপেক্ষা করি। 


 গল্পে প্রথম ব্যক্তি দ্বিতীয় ব্যক্তি কে বলেছিল যে , তোমার কাছে যদি বড় মাছ রান্না করার মত বাসন না থাকে, তাহলে তুমি বড় মাছ কে টুকরো টুকরো করে কেটে তারপর রান্না করতে পারো । আর যদি মন করতে ওই বড় বড় মাছ গুলোকে বাজারে বিক্রি করে, তুমি নিজের জন্য একটা বড় বাসন কিনতে পারতে । 

যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প

এখান থেকে আমরা কি কি শিখতে পারি ? আমাদের কাছে যখন এমন কোন সুযোগ আসবে, যেগুলো আমাদের এই মুহূর্তে নিজেদের শক্তি অনুযায়ী অসম্ভব বলে মনে হবে , অনেক কঠিন বলে মনে হবে , তখন আমরা সুযোগ গুলোকে ছেড়ে না দিয়ে , সেই সুযোগ কে ছোট ছোট করে স্বপ্নে ভাগ করে নিতে পারি ।  তারপর সেই এক একটা ছোট ছোট স্বপ্ন কে বাস্তবে রুপ দিতে পারি। যাতে ছোট ছোট স্বপ্ন গুলোর সংযোগে  একটা বড় স্বপ্ন  হয়ে যাবে ।


এই গল্পের সবচেয়ে বড় যে শিক্ষাটা হলো যে,  সুযোগ কখনো আমাদের স্ট্রেন্থ আর সিচুয়েশন অনুযায়ী আসে না । আমাদের বুঝতে হবে যে সুযোগটা প্রকৃতি আমাদের দিয়েছে । আর আমরা নিশ্চয়  এটাকে কাজে লাগাতে পারবো বলেই , প্রকৃতি আমাদের এই কাজ টি দিয়েছি । আর এর জন্য চাই সঠিক মাইন্ড সেট , সঠিক প্ল্যানিং আর একটু খানি রিস্ক নেওয়ার ক্ষমতা । তাহলেই আমাদের জীবন টা আমরা নিজে-রাই বদলে ফেলতে পারবো ।


আমরা বাঙালী ব্লগের পক্ষ থেকে আমি অন্তর। এই ব্লগ টি তোমার কাছে ভালো লেগে থাকে তাহলে   অবশ্যই  একটা শেয়ার করে দিও । আর এর সাথে কমেন্ট করতে ভুলে যেওনা  , কারন তোমার একটি কমেন্ট আমাদের কাছে অনুপ্রেরণা স্বরুপ ❞



 Tags: Positive stories bangla, Motivational story in bengali, Success story in bengali, Positive story in bengali, Educational story in bengali, Failure story in bengali, Bangla motivation, Motivational Story Bengali, Inspiration Story bangla, Bengali Advice Story, যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প,সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প,শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প

আমাদের আরও একটি সাইট;  WeBangali.Com

Tuesday, March 16, 2021

একটি সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প Two Point Zero Motivation Website | অনুপ্রেরণার গল্প 2.0

  সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প

সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প
শিক্ষনীয় গল্প-উপদেশ মূলক গল্প

যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প

বন্ধু আর যাই কিছু হোক না কেন কোনদিন ভয় পাবে না।  যদি ভয় পেয়ে একবার তুমি পিছিয়ে আসো , তাহলে তুমি তোমার লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবে না। তাই যখন তোমার মন দুর্বল হয়ে যাবে তখন এক বারের এই কথাটা একবার মাথায় আনবে ।  জো ডার-গায়া তো মার গায়া । 


সাহস এমন একটা জিনিস যেটা তোমাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে । হ্যাঁ!!  সাহস এমন একটা জিনিস যেটা তোমার হারকে জয়ে বদলে দেবে । সাহস এমন একটা জিনিস যেটা তোমার অসফলতাকে সফলতায় বদলে দেবে । আর যদি তুমি একবার ভয় পেয়ে যাও , তাহলে তোমার সাম্রাজ্য ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে ।

 বস তুমি কি জান , ভয় তোমাকে ভাঙতে শেখায় আর সাহস তোমাকে গড়তে শেখায় । আর এই ভাঙা-গড়ার মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছো তুমি । তাই তোমাকেই ডিসাইড করতে হবে যে , তুমি পিছিয়ে আসবে নাকি এগিয়ে যাবে ? আর যদি পিছিয়েই আসতে হয় , তাহলে বাঘ যেমন শিকারের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য পিছিয়ে আসে ঠিক তেমনই পিছিয়ে আসো । 


কিন্তু তারপর যখন ঝাঁপিয়ে পড়বে , তখন যেন সমস্ত কিছু তোমার হাতের নাগালের  মধ্যে চলে আসে । মনে রাখবে৷,  জীবন কিন্তু একটা আর এই জীবন তোমাকে দ্বিতীয়বার সুযোগ দেবে না ।  যে সময় আজকে চলে যাচ্ছে সেই সময় কিন্তু আর ফিরে আসবে না। বা আমাদের লাইফে কোনো বাটানো নেই যে আমরা সেটাকে ইউজ করে আবার সবকিছু একদম শুরু থেকে নতুন করে শুরু করতে পারবো ।  তাই ভয় না পেয়ে এগিয়ে এসো ।  সাহসকে পাশে নিয়ে শুরু করে দাও । তোমার লড়াই ততক্ষণ চলতে থাকবে যতক্ষণ সফলতার দোরগোড়ায় তুমি পৌছতে পারছো । 


শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প

তুমি একবার হারবে দুবার হারবে তিনবার হারবে কিন্তু বারবার চেষ্টা করার পর , একবার তুমি জিতবেই জিতবে । সব সময় মাথায় রাখবে বন্ধু, জীবন কোন ভাগ্যের খেলা নয় , জীবন কর্মের খেলা । যেমন কর্ম করবে ঠিক তেমনি ফল পাবে । ভাগ্যের দোহাই না দিয়ে কাজ করতে শুরু করে দাও ।  তারপর যখন তুমি সেই কাজের যোগ্যতা অর্জন করবে তখন আল্লাহ বা ভগবান তোমার সফলতা গিফট  হিসাবে তোমার হাতে তুলে দেবে । তখন তুমি তোমার বিজয় এর ট্রফি  নিয়ে রোড শো করবে।   যদি তুমি এখন একজন পরাজিত ব্যাক্তি হয়ে থাকো তাহলে ভয় পেয়ো না । শুধু মনে মনে সাহস রেখে প্রস্তুতি নিতে থাকো এবং নিজেকে কথা দাও ,

 যে ভালো সময় আসতে চলেছে আর এই ভালো সময় আমি নিয়ে আসবো । তো বস শুধু নিজেকে একবার হিরো মনে করে দেখো ।  দেখবে আশে পাশের মানুষ গুলো মুহূর্তের মধ্যে জিরো হয়ে যাবে।  আর যদি তুমি আজকে নিজেকে জিরো মনে করো তাহলে আশে পাশের মানুষ গুলো হিরো হয়ে  ঘাড়ের উপরে চাপবে । 


 তাই বলবো সব কিছু  তোমার উপরে নির্ভর করে আছে । তুমি একবার চেষ্টা করে দেখলে সব কিছুই সম্ভব । তাই সমস্ত ব্যথা , যন্ত্রণা , দুঃখ , হার , পরাজয় সবকিছু বুকের মধ্যে চেপে রেখে আবারও নতুন সকালের পিছনে ছুটে চলো । একদিন দেখবে ঠিকই সফলতা তোর হাতের নাগালের মধ্যে নিমিষেই চলে আসবে। তো বন্ধু আর দেরি না করে ঝাপিয়ে পর তোমার লক্ষ্যের দিকে , আর এগিয়ে যাও সফলতার শিকরে। আর সব সময় মনে রাখবে যে পরিশ্রম করে সে কখনো হারতে পারে না।  হারে তো তারায় যারা পরিশ্রম না করে সুযোগ খুযে বেড়াই। এখন তুমি যদি এমন হয়ে থাকো তাহলে এখনই নিজেকে পরিবর্তন করে ফেলুন। নয়তো পরবর্তীতে আপনার নিজের - ই  ক্ষতি হয়ে যাবে। 


 এই ব্লগ সাইটেরর  পক্ষ থেকে অনতর, বন্ধু হিসেবে তোমার কাছে আমার আর কিছুই চাওয়ার নেই, শুধু এই ব্লগ টি তোমার বন্ধুদের মাঝে  শেয়ার করে দিও । আর কমেন্ট বক্স এ লিখতে ভুলো না আপনার স্পেশাল মন্তব্য। 


Tags: Positive stories bangla, Motivational story in bengali, Success story in bengali, Positive story in bengali, Educational story in bengali, Failure story in bengali, Bangla motivation, যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প, সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প, শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প, শিক্ষনীয় গল্প, উপদেশ মূলক গল্প

আমাদের আরও একটি সাইট ; WeBangali.Com

Tuesday, March 9, 2021

Valobasar Golpo | Bangla Romantic Golpo[আবেগি ভালোবাসার গল্প]গল্পটি আমার আর হেনার

 New Bangla Love Story | আবেগি ভালোবাসার গল্প

আবেগি ভালোবাসার গল্প Valobasar Golpo | bd-express.top
Valobasar Golpo | আবেগি ভালোবাসার গল্প

ভালোবাসার ছোট গল্প কাহিনী

ছেলে এবং মেয়েটির গল্প যেন  ভালোবাসার মতো .. 
গল্প টা আমার আর হেনার।Bangla Romantic Golpo

 আজ থেকে প্রায় দুই বছর আগে , যখন আমি আর হেনা ক্লাস ১০ এ/তে পড়তাম । আর আমরা দুজনেই একই স্যারের কাছে প্রাইভেট পড়তে যেতাম।একদিন প্রাইভেট  পড়তে গিয়েছিলাম সেখানে , আমি বসে ছিলাম হেনার পাশের বেঞ্চে।হেনা জানালার পাশে বসে ছিল। হঠাৎ করে হেনার দিকে চোখ পড়ল , হেনা কে দেখতেই আমার মনের মাঝে কেমন করে উঠল। সূর্যের আলো জানালা দিয়ে এসে সরাসরি হেনার চুলের উপর পড়েছে। সূর্যের আলোতে হেনার চুল রেশমি রঙের হয়ে গেছে। আমি হেনা কে দেখে সম্পূর্ণ ক্রাশ খেয়ে যায়। আর আমি মনে মনে ভাবছি যে, এত দিন ধরে হেনা কে আমি হয়তো ঠিক করে দেখিই নি। মনে হচ্ছে হেনা কে আজ কে-ই আমি প্রথম দেখছি। Bangla Romantic Golpo 


মনে মনে বললাম আজ থেকে হেনা কে যেভাবেই হোক ইমপ্রেস করতেই হবে । Bangla Romantic Golpo 

এই ভেবে পরের দিন একটু পরিপাটি হয়ে প্রাইভেট এ চলে গেলাম। সেখানে গিয়ে একটু ঝারি ঝুটটা মার লাম,কিন্তু কোনো লাভই হলো না ।  হেনা  একবারও আমার দিকে তাকায় না।তবুও আমি হার মানি নি।কারন আমি হার মানতে শিখি নি।তাই আমি আর ও বেশি করে চেষ্টা করতে থাকি।আর সুযোগ খুজতে থাকি যে, কি করে হেনার সাথে কথা বলা যায়।কিন্তু হেনা মটেও আমার মতো ছিল না। হেনা ছিল চুপচাপ সে অপ্রয়োজনে কাররোর সাথেই কথা বলত না।এজন্য আমিও হেনার সাথে ঠিক করে কথা বলতেই পারি নি।এভাবেই চলতে থাকে অনেক দিন। কিন্তু আমার কোনো ইমপ্রুভই হলো না। তাই আমি আর তেমন হেনার সামনে জেতাম না।

রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প কাহিনী

হঠাৎ দেখি হেনা কয়েক দিন ধরে প্রাইভেট পড়তে আসছে না।এজন্য আমারো প্রাইভেট এ জেতে ইচ্ছে করে না।কিন্তু বাড়ি থেকে আমায় চাপ দেয় যে,প্রত্যেক দিন পড়তে যেতে হবেই।এজন্য মন না টিকলেও আমি প্রাইভেট এ জেতাম। এভাবেই পাঁচ দিন হয়ে গেল।পাঁচ দিন পরে দেখি হেনা আবারও পড়তে আসছে। হেনাকে স্যার জিজ্ঞেস করে, "হেনা কেমন ঘুরলে তোমার বড় আপার বাসায় ? " হেনা বলে,  "খুব ভালো স্যার " এরপর স্যার বল যে, হেনা তুমি কয়েকদিন আসনি, কিন্তু আমি কিছু গুরুত্বপূর্ণ নোট লিখে দিয়েছি তুমি ওদের থেকে নিয়ে নিও।

আমার ব্যাচের মধ্যে আমিই রেগুলার পড়তে আসতাম।তাই স্যার আমাকে বলল, তোমার নোট টা হেনাকে দিবে ও লিখে নিবে, আর স্যার হেনাকে বলল"হেনা কোনো কিছু না বুজলে তুমি ওর কাছ থেকে বুঝে নেবে।ঠিক আছে !! 


আমার মনে তো খুশিতে ভরে উঠেছে। পড়া শেষে হেনা আমায় ডেকে বলছে, কোথায় তোমার নোট টা আমায় দেয়। আমি আমার নোট খাতা তাকে দিয়ে দিলাম। আর হেনা কে বললাম কোনো সমস্যা হলে আমায় বলবে, যেমন কোনো লেখা বা অংক গুলো না বুঝলে বুজেছো। হেনা বলল,ঠিক আছে।

 Bangla Romantic Golpo 

হেনা বলল যে,আজকে আমার বন্ধবী আসে নি তাই একটু আমার সাথে বাজার পর্যন্ত হেটে যাবে ? আমি হেনার এই কথা শুনে অবাক হয়ে গেলাম,আর হেনাকে বললাম ঠিক আছে, তাহলে  চল যায়। আমি ভাবতেও পারি নি যে হেনা আমার সাথে এই ভাবে কথা বলবে।

হেনা আমায় জিজ্ঞেস করল,তুমি একটা সত্যি কথা বলবে আমায়। 

আমিঃ কি কথা বল  !!! 

হেনাঃ আগে বলল যে, তুমি সত্যি বলবে তো। 

আমিঃ আচ্ছা ঠিক আছে সত্যিই বলব,এখন তো বল।

হেনাঃকয়েক দিন আগে তুমি আমাকে দেখিয়ে ঝারি নিতে তাই না।

আমিঃ ঝারি মানে ঠিক বুজলাম না।

হেনাঃ মানে তুমি আমায় ইমপ্রেস করতে চাই ছিলে। 

আমিঃ কি বলছ এই সব আমি কেন তোমায় ইমপ্রেস করতে চাইব।

হেনাঃ তা আমি কি করে বলব,তুমি এই সব করেছো তুমিই ভালো যাno যে তুমি কেন এমন করেছো! 

আমিঃ হয়তো কোথাও তোমার ভুল হহচ্ছে।

 

হেনাঃ না আমি তোমায় প্রতিনিয়ত নজরে রাখতাম, আর আমি  দেখেছি যে,তুমি আমার দিকে বেশি ভাগ সময় থাকিয়ে থাকতে ।


আমিঃ সত্যি !! আচ্ছা তাহলে এর মানে তো তুমিও ঘুরে ঘুরে দেখতে তাই না। 

হেনাঃ হ্যাঁ.... দে.এ.খ...তাম তো ...? 

আমিঃ তো আবার কি.. কিছুই না, আচ্ছা তুমি আমার ফ্রেন্ড হবে.? 

হেনাঃ কি.. গাল ফ্রেন্ড ? 

আমিঃ আর/এ না না শুধু ফ্রেন্ড। 

হেনাঃ ওহ !!  আমি শুনেছিলাম গাল_ফ্রেন্ড হবে নাকি।

আমিঃ কানে হয়তো একটু বেশিই শুনো মনে হয়। ফ্রেন্ড হবে৷ আমার .? 

হেনাঃ গাল_ফ্রেন্ড  হবো _না _শুধু  ফ্রেন্ড  ? 

আমিঃ তোমার যেই টা ভালো লাগে, তুমি শুধু ফ্রেন্ড ও হতে পারো 

আবার,গাল_ফ্রেন্ড হলেও আমার কোনো প্রবলেম নাই। এখন তুমি দেখো যে,তুমি আমার কি হবে !! 

 Bangla Romantic Golpo 

হেনাঃ এই যে হ্যাঁলো..!!  প্রথম দিনেই এত দূর,একটু অপেক্ষা তো  কর। এখনো দিন তো আরো  পড়েই আছে  । 

আমিঃ ওকে  .!! আমি অপেক্ষা করব এর জন্য। 

হেনাঃ বাই ., ভালো থেকো,। 

আমিঃ হাম, সাবধানে বাড়ি যেও,বাই।

ভালোবাসার কষ্টের গল্প কাহিনী

সেই দিন রাতে দেখি আমার মোবাইলে একটা অচেনা নাম্বার থেকে কল এসেছে। কল টি রিসিভ করি, আর আমি শুনতে পাই 

হ্যালো... আমি হেনা বলছি। আমিঃ কোন হেনা ঠিক চিনতে পার লাম না। আ/এ আমি হেনা আজ কে ফ্রেন্ড হলাম আর আজকেই আমাকে ভুলে গেলে। আমইঃ ওহ সরি সরি,এবার চিনেছি। কেমন আছো.? ভালো আছি, আর তুমি .? আমিও  ভালোই আছি,তো কি মনে আমায় ফোন করেছ। কেনো ফোন করা মানা না কি.?  না এমনিই জিজ্ঞেস করলাম, আচ্ছা তুমি আমার নাম্বার পেলে কোথায় ..?  নিজের নোট খাতায় ওতো  বড় করে নাম্বার লেখা থাকলে তো আমি নাম্বার পেতেই পারি।এভাবেই কথা হতে থাকে প্রায় ১১ মিনিট। 


এরপর থেকে প্রায় দিনই হেনার সাথে আমার ফোনে কথা হতো। আর এর সাথে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে  সরাসরি দেখা কথা দুটোই হতো। কিন্তু আগের চেয়ে অনেক বেশি, আর এই কথা বলার নেশা দিন দিন যেন  বেড়েই চলেছে। আর এভাবেই চলতে থাকে,

 আমার আর হেনার গল্প।



Tags: ভালোবাসার ছোট গল্প,রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প কাহিনী,আবেগি ভালোবাসার গল্প,ভালোবাসার কষ্টের গল্প কাহিনী,Breakup love story Bangla,Bangla Love Story Shayari,Sad love story bangla,Breakup love Story Bangla 

আমাদের আরও একটি সাইট; WeBangali.com

Saturday, March 6, 2021

স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার গল্প[আবেগি ভালোবাসার গল্প] Bangla Romantic Golpo  Valobasar Golpo | bd express

 স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার গল্প - আবেগি ভালোবাসার গল্প

আরও পড়ুনঃ সফলতার গল্প

Bangla love story bd express
Abegi Valobasa Romantic Golpo


Bangla Romantic Golpo ভালোবাসার কষ্টের গল্প কাহিনী


একটি দম্পতি 10 বছর আগে বিয়ে করেছিল।  কিন্তু তাদের কোন সন্তান ছিল না। তবুও তারা একে অপরের সাথে থাকত ও একে অপরকে অনেক ভালো বাসত।  এবং সত্যিই তারা দুজনেরই আশা ছিল যে তাদের 11 তম বার্ষিকী আগে তাদের একটি শিশু সন্তান থাকবে। কিন্তু বিধাতা তাদের এই আসা পূরণ করে নি।
সন্তান না হবার কারনে, তাদের পরিবার ও সকল বন্ধু বান্ধব তাদের তালাক দিয়ে ছাড়া ছাড়ি হয়ে আলাদা হয়ে যাবার জন্য তাদের 
অনুরোধ করত। 


 কিন্তু তারা দুজনেই তাদের মধ্যে দৃঢ় ভালোবাসার কারণে আলাদা হতে  চাই ছিল না। কিছু মাস পরে....  একদিন স্বামী যখন অফিস  থেকে বাড়ি ফিরে আসতে ছিল। ঠিক তখনই তিনি দেখলেন  তার স্ত্রী অন্য একজন মানুষের সাথে রাস্তায় হাঁটতে হাটতে কথা বলতে ছিল। এবং তারা দুজনেই অনেক  খুশি এবং অনেক  আনান্দিত ভাবে কথা বলতে ছিল।


আবার চার দিন  পরে...

Sad love story bangla Bangla love story bd express
Sad love story bangla ভালোবাসার ছোট গল্প কাহিনী


Valobasar Golpo 
 চার দিন  পর স্বামী আবার দেখল যে তার স্ত্রী আবার একই লোকের সাথে তার স্ত্রীকে কথা বলতে । স্বামী তাদের একে অপরের সাথে কথা বলার ভঙ্গিমা  অনেক বার ঘুরে ঘুরে দেখতে ছিল । এবং কথা বলা শেষ করার পর তারা দুজনেই একে অপর কে  জরিয়ে ধরে। স্বামী ওই সব দেখে নিজের রাগ আর সামলাতে পারছে না।  পরবর্তী দিনে স্বামী আবার দেখল সেই একই লোকের সাথে তার স্ত্রী হেসে হেসে  কথা বলছে।  স্বামী এ-ই সব দেখে অনেক  রাগান্নিত হয়ে ছিল। এবং অনেক  দুঃখ  পেয়ে ছিল। একদিন রাতে স্বামী ঘরে বসে ছিল। এমন সময় তার স্ত্রীরির  ফোনে  কল আসে। কল টা এসেছিল এক আন'নোন  নাম্বার থেকে।তাই দেখে স্বামী তার স্ত্রীরির ফোন কল টা রিসিভ করে।কল রিসিভ করার সাথে সাথেই   অন্য দিকে বললো, "হ্যালো ডিয়ার,  কেমন আছো তুমি । কাল কে সন্ধ্যায় তোমার বাড়িতে আমাকে  কি    আসায় লাগবে।

[রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প কাহিনী]

 স্বামী এই কথা শুনে ফোন কল কেটে দেয়। আর  নিজেকেই নিজে বলে ,  " আমি নিশ্চিত যে, আমার স্ত্রী অন্য পুরুষের উপর আকৃষ্ট হয়েছে।তার সাথে লুকিয়ে লুকিয়ে দেখা করে এমন কি তারা দুজনেই একে অপরকে জরিয়ে ধরে। কারন আমি আমার স্ত্রীকে অনেকবার দেখেছি অন্য পুরুষের সাথে দেখা করতে এবং কথা বলতে ।" স্বামী  ভেবেছিল যে আমি আমার  স্ত্রীকে অন্য একজনের কাছে হারিয়ে ফেলে ছি। এবং এই সব ভাবতে ভাবতে তার হাতে থাকা পানির গ্লাস  তার হাত থেকে মেঝেতে  পড়ে গিয়েছিল এবং কাচের গ্লাস টি মেঝেতে পরে  টুকরো টুকরো করে ভেঙ্গে গিয়ে ছিল। এই শব্দ শোনার পর, তার স্ত্রী তার কাছে দৌড়ে আসে।  আর  তার স্বামী কে জিজ্ঞাসা করেন, " তুমি  ঠিক আছো ??"

Valobasar Golpo_Breakup love Story Bangla


স্বামী রেগে তার স্ত্রী কে ধাক্কা  দিলেন যার ফলে তার স্ত্রী মেঝেতে পরে যায় । কয়েক সেকেন্ড পরে স্বামী বুঝতে পেরে ছিল যে, মেঝেতে পরে থাকা তার স্ত্রী আর নড়াচড়া করছে না।  স্বামী তার স্ত্রী রির দিকে তাকিয়ে দেখে তার শরীর দিয়ে রক্ত ঝরছে। তার স্ত্রী নিশ্চুপ হয়েই মেঝেতে পরে আছে।স্বামী তার স্ত্রী কে ডাকছে কিন্তু কোনো সারা শব্দ পাচ্ছে না।স্বামী একটু খেয়াল করে দেখে যে, তার স্ত্রী  ভাঙা কাচের গ্লাসের  টুকরার উপর পরে আছে। স্বামী তার স্ত্রী রির  শ্বাস - প্রশ্বাস চেক করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তার স্ত্রী রির হার্টবিট আর চলতে ছিল না।এবং শ্বাস-প্রশ্বাস চলতে ছিল না। এত খুনে স্বামী বুঝতে পেরেছে যে,তার স্ত্রী আর নেই সে  মারা গেছে।
আরও পড়ুন; অনুপ্রেরণার গল্প


স্ত্রী  মারা যাওয়ার ২ দিন পরে..... 

 স্ত্রী  মারা যাওয়ার ২ দিন পরে স্বামী দেখল যে,  তার টেবিলের এক পাশে  তার স্ত্রী রির একটি ডাইরি পরে আছে । আর ডাইরির মধ্যে একটি কাগজ । স্বামী ডাইরি টি পড়তে শুরু করে।ডাইরি টা পড়ে স্বামী হতবাক হয়ে যায়।আর তার দুচোখ দিয়ে পানি ঝরতে থাকে। 

আরও পড়ুন; হার না মানার গল্প,

 ডাইরিতে লেখা ছিল যে,।  "আমার প্রেমময় স্বামী, আজ আমি কতটা খুশি তা আমি তোমায় বলে বুঝাতে পারবো না। 
যে, তুমি বাবা হতে চলেছো, আর আমি মা হতে চলে ছি।  আমি এটি বিশ্বাস করতেই পারতে ছিলাম না। তাই আমি গত সাত দিন ধরে ডাক্তারের সাথে একের পর এক কথা বলে নিশ্চিত হতে চাইছি।যেন তোমায় সত্য কথা টা বলার পরে যেন মিথ্যা না হয়ে যায়। তাই ডাক্তার নিজেই  কাল সন্ধ্যায় আমাদের বাড়িতে আসবে।এবং ডাক্তার সাহেব নিজেই তোমাকে জানাবে যে, তুমি বাবা হতে চলেছো। আর একটা কথা বলে রাখি, কাল যে ডাক্তার আমাদের বাড়িতে আসবে সে আর কেউ নয়। আমার মামাতো বড় ভাই জান।যে বিদেশে লেখা পড়া করত।আমি  তার কাছ থেকেই নিশ্চিত  হয়েছি যে আমি গর্ভবতী।এই টা আমার প্রেগন্যান্ট রিপোর্ট। 


স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার গল্প

নৈতিকতা বা মোরাল: [ Sad love story bangla  ]

  অন্য ব্যক্তি কে  বিচার করার ক্ষেত্রে  দ্রুত হওয়া উচিত নয়।বরং আমাদের উচিত সম্পর্কের মধ্যে কথা বলে তা পরিষ্কার করার চেষ্টা করা। 
এবং 
 আমরা আমাদের রাগ আমাদের নিয়ন্ত্রণ রেখে দেওয়া উচিত। কারণ আমরা যা দেখি বা শুনি  তা সব সময়  সত্য হয় না৷ 



Tags: ভালোবাসার ছোট গল্প,রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প কাহিনী,আবেগি ভালোবাসার গল্প,ভালোবাসার কষ্টের গল্প কাহিনী,Breakup love story Bangla,Bangla Love Story Shayari,Sad love story bangla,Breakup love Story Bangla 

আমাদের আরও একটি সাইট; antorali.com এই সাইটে বিভিন্ন ধরনের ছোট বড় গল্প কাহিিন যেমন, অনুপ্রেরণা, উপদেশ,শিক্ষনীয় গল্প আছে । 

আমাদের আরও একটি সাইট ; WeBangali.com

Monday, March 1, 2021

ভূতের গল্প | Bangla Vuter Golpo 2021 - BD Express
bd express

Bhuter Golpo 

একটি ভূত ও গরিব কৃষকের গল্প বিডি এক্সপ্রেস 

 একটি ছোট গ্রামে  এক জন দরিদ্র কৃষক  বসবাস করতেন।  একদিন তিনি সকাল সকাল বাজার থেকে ফিরে আসেন। কারণ তিনি ক্লান্ত হয়ে ছিলেন ,তাই তিনি কিছুক্ষণের জন্য বিশ্রাম নিতে একটি ছায়াময় গাছের নিচে শিকরের উপর বসেন। গাছের শিকরের উপর বসে দরিদ্র কৃষক তার পকেট থেকে কিছু শুকনো খাবার বাদাম খেতে শুরু করেন। বাদাম খাওয়ার পর তিনি তার  পিছনে বাদামের খোসা ছুড়ে ফেলে। তার পরেই শুরু হলো তার অদ্ভুত সব কিছু কৃষকের চারপাশে একটি ভয়ঙ্কর শব্দ এবং পুরো জায়গা কিছুক্ষণের জন্য হালকা হালকা কম্পন শুরু  হয়ে গেল । কৃষক ভয় পেয়ে গাছের পিছনে চুপ্টে দাঁড়িয়েছিল। এবং দরিদ্র কৃষক দেখতে পেল যে , একটি ভয়ংকর  মুখ ওলা একটি দুষ্টু শয়তান গেসো ভূত  গাছ থেকে নেমে আসছে। 

দরিদ্র কৃষক দুষ্টু গেসো ভূত দেখে তার পা শক্ত হতে শুরু করে এবং মাটিতে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারছে না। "দুষ্ট ভূত দরিদ্র কৃষক কে বলে যে ,"আপনি একজন দরিদ্র কৃষক হয়ে  কেন আপনি আমার উপর বাদামের খোসা  নিক্ষেপ করেছো আমায় বলেন ? আমি তো শান্তভাবে ঘুমাচ্ছিলাম , কিন্তু আপনি তো আমার ঘুম টা নষ্ট  করে দিলেন"।"আর এই অপরাধের জন্য আপনা কে   মরতে হবে "। এই কথা টি দুষ্টু উচ্চ কণ্ঠে চিৎকার করে বলেছিল)

 দরিদ্র কৃষক তার বুকে সাহস সংগ্রহ করে বলে ছিল , " হে ভূত ভাই, আমি আপনার উপর কোনো বাদামের খোসা ইচ্ছে করে  নিক্ষেপ করি নি। আর আমি আপনাকে কোনো বিরক্ত করার কোন  ইচ্ছে  ছিল না। ( Bangla Ghost Story) 


আমি শুধু আমার  খাওয়া বাদামের খোসা আমার পিছনের দিকে  ছুড়ে ফেলি।  আমি খুবই দুঃখিত।আর আমি আপনার উপর ইচ্ছে করে বাদামের খোসা ফেলি নি , তাই আমাকে আপনি  ক্ষমা করুন "। কিন্তু দুষ্টু গেসো ভূত  বলল যে," তুমি তোমার বুদ্ধিমান কথা গুলো দিয়ে আমাকে বোকা বানানোর চেষ্টা করছ। আমি এখন তোমাকে মেরেই ফেলব "  দরিদ্র কৃষক বলল যে, তুমি যদি আমাকে মেরে ফেলতে চাও, তাহলে  তুমি আমার শেষ ইচ্ছে পূরণ কর।এবং তার পর আমাকে মেরে ফেল আমি কিছু মনে করব না।" 

দুষ্টু গেসো ভূত  জিজ্ঞাসা করলেন, "হে দরিদ্র কৃষক তোমার শেষ ইচ্ছা টা কি আমায় বল  ?" দরিদ্র কৃষক বলে  ; আমি খুবই গরিব  কৃষক, আমি চাষাবাদ করার জন্য বিভিন্ন লোকের  কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে ছিলাম।তাই আমি আমার ধার শোধ করতে চাই।

আরও পড়ুন; হার না মানার গল্প
 

দুষ্টু গেসো ভূত; দরিদ্র কৃষক তার কথা বিশ্বাস করে , দরিদ্র কৃষক তাকে অনুমতি দিলেন।যে তুমি গিয়ে তোমার ঋন মিটিয়ে আবার কিন্তু পরের দিন নিজেই নিজেই আসতে হবে। দরিদ্র কৃষক তার বাড়ির দিকে রওনা দেন।এরপর  বাড়িতে গিয়ে তার সমস্ত ঋণ নিষ্পত্তি করে দেন এবং জল ভড়া অশ্রু নিয়ে বলেন। "আমি গেসো ভূত কে  আমার প্রতিশ্রুতি দিয়েছি , তাই সেই প্রতিশ্রুতি কখনোই ভাঙতে পারব না। তাই আমি এখন গেস ভূতের কাছে  যেতে চাই"। 

বিডি এক্সপ্রেস 


দুষ্টু গেসো ভূত দেখল যে,  দরিদ্র কৃষক তার  প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে আবার তার কাছে ফিরে আসছে। কিন্তু সত্য এটাই যে৷, গেসো ভূত দরিদ্র কৃষকের শুধু সততা পরীক্ষা করতে চেয়েছিলেন। গেসো ভূত বলে"আমি সত্যিই খুব খুশি , কারন আমি তোমার সততা  যাচাই করতে ছিলাম যে, তোমার সততা টা কেমন।এখন আমি তোমার সততা দেখে মুগ্ধ হয়েছি। (Ghost Story Bangla)



তোমাকে  আমি ছেড়ে দেব, তুমি আবার বাড়ি ফিরে যেতে পারবে। কিন্তু আমার একটি শর্ত আছে যে,  আমি আপনার সম্পর্কে প্রথম তিনজনকে জিজ্ঞাসা করব। যদি তারা আপনার সম্পর্কে ভাল কথা বলে তবেই আমি আপনাকে বাড়ি যেতে দেব"। দুষ্টু ভূত  বলেছিল এবং তিনজন ব্যক্তির জন্য অপেক্ষা করেছিল। প্রথম মানুষ সেখানে এসেছিল। তিনি বৃদ্ধ ছিলেন। গেসো ভূত  তাকে বলে  এবং তাকে জিজ্ঞেস করে ,  তুমি কি এই দরিদ্র কৃষক কে জানো? বুড়ো লোকটি বলল, "হ্যাঁ, আমি তাকে খুব ভালভাবেই জানি। তিনি  খুব দয়ালু বান দরিদ্র কৃষক। আমাকে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করেছিলেন তার শেষ সার্মথ্য অনুযায়ী"। দুষ্টু গেসো ভূত এই কথা শুনে খুশি অনুভূত হন। 

এবার  দ্বিতীয় মানুষ আসল এবং তিনি একজন বিচারক ছিলেন। গেসো ভূত  বিচারককে থামিয়ে জিজ্ঞেস করল, "তুমি কি এই দরিদ্র কৃষক চেনো," বিচারক জবাব দিলেন যে, তিনি তাকে এমন একজন লোককে নিয়ে এলেন। যখন আমি তাকে শাস্তি দিলাম, তখন ব্যবসায়ী তাকে ক্ষমা করার জন্য জিজ্ঞাসা করলেন। bd express 

তিনি একটি খুব ধনী ব্যক্তি এসেছিলেন। দৈত্য একজন খুব ধনী ব্যক্তি ছিল। ধনী ব্যক্তি তাকে একই প্রশ্নের জন্য চিন্তা করেছিলেন। ধনী ব্যক্তিটি কিছুদিন ধরে চিন্তা করেছিলেন এবং তারপর তিনি আমাকে একবার শুরু করতে সাহায্য করেছিলেন। আপনি বাড়িতে যান এবং আপনার পরিবারের সাথে যোগদান করেন এবং দীর্ঘ জীবনযাপন করেন। "মার্চেন্টটি ভূত এবং তিনজন লোকের পথে ফিরে আসেন। তারপর তিনি বাড়িতে ফিরে এবং সুখী বসবাস শুরু করে।


আরও পড়ুন; অনুপ্রেরণার গল্প

Tuesday, February 23, 2021

ত্যাগের পরেই সফলতা আসে[ শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প ] ত্যাগ কাকে বলে ? - বিডি-এক্সপ্রেস.টপ

 শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প


উপদেশ মূলক গল্প | অন্তরের গল্প - বিডি-এক্সপ্রেস.টপ
উপদেশ ও অনুপ্রেরণা মূলক গল্প 

সব সময় একটা কথা মনে রাখবেন জীবনে আপনার যেই স্বপ্ন আছে, যেই লক্ষ্য আছে। সেটা পূরণ করতে হলে আপনাকে কিছু ত্যাগ করতে হবে। ত্যাগ ছাড়া কিছু সম্ভব না। অনেকে আছেন ত্যাগ মানে কি সেটাই বোঝেনা তারা মনে করে ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ না করাই হোল ত্যাগ। মনে করুন আপনি বাইক কিনতে পারেন কিন্তু কিনছেন না এটা হলো ত্যাগ, কিন্তু আমি এটির কথাও বলছি না আমি বলছি আপনার ক্যারিয়ার গড়তে যে ত্যাগ করতে হবে সেটির কথা। আপনি পৃথিবীর বড় বড় ধনী ব্যাক্তি খেলোয়াড় বা প্রতিষ্ঠিত কোন মানুষের জীবনী দেখতে পারেন এবং আপনি তাদের জীবনে ত্যাগ দেখতে পারবেন।  

প্রতিটি মানুষ বড় হতে চায়, বড় কিছু করতে চায় কিন্তু এই সমস্ত কিছু করার জন্য তারা একটা জিনিস করতে পারে না। সেটিই হলো ত্যাগ! নিজের স্বপ্ন পুরনের জন্য যদি আপনাকে খুব সকালে ঘুম থেকে উঠতে হয় আর আপনি তাই করলেন এটাই হলো ত্যাগ। আপনাকে কোন কাজ বা কোন জ্ঞান অর্জনের জন্য অনেক দূরে জেতে হবে আপনি গেলেন এটাই ত্যাগ। কোন বিশেষ দরকার ছাড়া ফেসবুক ইউটিউব ব্যবহার করা যাবে না আপনি এটাই করলেন এটাই হলো ত্যাগ। বন্ধুরা সবাই পার্টি করছে আপনি না গিয়ে নিজের কাজ করলেন এটাই ত্যাগ, প্রয়জনে নিজের বন্ধুবান্ধব, গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড ছেড়ে দেওয়া এটাই হলো ত্যাগ।

আরও পড়ুন;  মার্ক জাকারবার্গ এর সফলতার গল্প

সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প

 আসলে ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়স হলো মানুষের সব থেকে রোমান্টিক সময় আমরা সবাই জানি আমাদের বেশির ভাগ সময় এই সময়টিতে কোথায় কোথায় নষ্ট হয়। এই সময় আমাদের অনেক বন্ধু থাকে এখন যদি আমি সোশ্যাল সাইটে কাউকে উত্তর না দিয়ে থাকি তাহলে কিছুই যায় আসবে না। কিন্তু ১ বছর ২ বছর ৪ বছর পরে আপনি কোথায় থাকবেন সেটা ঠিক হবে আপনার আজকের কর্মের উপরে। কারন এখন আপনি যততা ত্যাগ করবেন কিছু দিন পরে ততটাই সুখের জীবন আপনি পাবেন।


আরও পড়ুন; বিল গেসটের সফলতার গল্প


 আপনি কি জানেন আমাদের জীবনের ৯০% কাজের উপরে আমাদের কন্ট্রোল থাকে।

 জীবনে যেটাই করতে চান বা পাওয়ার ইচ্ছা করেন সেটি যদি আপনি যদি না পেয়ে থাকেন। বা না করতে পারেন তাহলে প্লিজ কোন ওজুহাত দিবেন না। যে সমাজ ভালো ছিলো না, সরকার ভালো ছিলো না, আমার টাকা ছিলো না বাবা মা ভালো ছিলো না, আমার টাকা ছিলো না ইত্যাদি।

সফলতার দিকে আপনি মনোযোগ দিন আপনার লক্ষ্যের দিকে এবং নিজের উপরে বিশ্বাস রেখে কাজ করতে থাকেন। আর ভাবুন কেন আপনি এটা করতে চান ? আপনি যেখানেই থাকেন যে অবস্থায় থাকেন সেটা কোন বিষয় না আপনি যেটা চান তার জন্য আপনি না লড়লে কে লড়বে? 

অনুপ্রেরণার গল্প 

জীবন মানে হলো আপনি বার বার হেরে গিয়ে কতবার উঠে দাঁড়াচ্ছেন সেটা।

নিজের প্রতি একটু রাগ তৈরি করুন। নিজেকে নিজেই প্রশ্ন করুন। কেন আমি এটা পারব না?  প্রতিজ্ঞা করুন যে,আমাকে  যে করেই হোক আমাকে এটা করতেই হবে। কি এমন স্বপ্ন যেটা পূরণ হবে না? 

স্বপ্ন সত্যি হবে, পূরণ হবে, আগে চেষ্টা তো করুন। এই বয়সটিতে মজা কম করে চিন্তা বেশি করেন। তাহলে, বেঁচে থাকার জন্য বাকিটা জীবন মজা করতে পারবেন। তাই, আজই সিদ্ধান্ত নিন স্বপ্ন পূরণ করতে যা কিছু ত্যাগ করতে হয় আপনি করবেন।

যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প

 কারন..? 

আপনি স্বীকার করেন বা না করেন জীবন মানেই হলো ত্যাগ, পরিশ্রম, আর মৃত্যু হলো একমাত্র বিশ্রাম। তাই জীবনে কিছু করতে হলে আপনাকে অনেক কিছু ত্যাগ করতে হবে। 

আমাদের আরও একটি সাইট ; WeBangali.com

অনুপ্রেরণার গল্প 

Monday, February 22, 2021

একটি হার না মানার গল্প [শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প] অনুপ্রেরণার গল্প | বিডি-এক্সপ্রেস.টপ | বাংলা গল্পের এক বিশাল সমাহার

শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প

 
হার না মানার গল্প www.bd-express.top || অন্তরের গল্প
অনুপ্রেরণার গল্প


আপনি কি জানেন হার না মানা গল্প কেমন হতে পারে ? 

সেটা এই গল্প না পড়ে বুঝতে পারবে না। আজ আমরা এমন একজন মানুষের জীবনী নিয়ে কথা বলব, যেটা সম্পর্কে অনেকেই জানেন না।

আরও পড়ুন; স্বামী স্ত্রীর কষ্টের ভালোবাসার গল্প

 হাংগেরিতে একজন ন্যাশনাল হিরো। এবং সে  সেখানকার প্রতিটা মানুষের অনুপ্রেরণার একজন। তার জীবনের এক অবিশ্বাস্য গল্প শুনে হাজার হাজার মানুষ জীবনে ঘুড়ে দাড়াতে শিখেছে। তার একটা কথা মানে জীবন কোন সিমাবদ্ধতার দেয়ালে আটকে রাখার মতো কিছু না। বরং জীবনের আসল অর্থ জীবন যুদ্ধে মোকাবেলা করা আর সীমাবদ্ধতার দেয়াল ভেঙ্গে চুরমার করে দেওয়া

[অনুপ্রেরণার গল্প]

ক্যারলি তাকাস নামের এক হাংগেরিয়ান লোক ছিলেন তিনি পেশায় ছিলেন একজন হাংগেরি সৈনিক। এছাড়াও তিনি একজন  শুটার। তার হাংগেরিতে সব থেকে ভালো শুটার সবকটি ন্যাশনাল প্রতিযোগিতায় জেতা হয়ে গিয়েছিল তার। তার ট্যালেন্ট দেখে সবাই তখন ধরেই নিয়েছিল যে ১৯৪০ সালের ন্যাশনাল অলিম্পিকের গোল্ড ম্যাডেল তিনিই অর্জন করবেন। ক্যারলি সেই ভাবেই নিজেকে গড়তে থাকে তখন তার একটাই স্বপ্ন সে পৃথিবীর সেরা শুটার হবে। সবকিছু ঠিকঠাক ভাবেই চলছিল সামনে আছে আর দুইটা বছর এর মধ্যে আরো শক্তিশালী করতে হবে। 

উপদেশ মূলক গল্প 

১৯৩৮ সালে আর্মিদের এক ক্যাম্প চলছিলো ক্যারলি সেখানে পোস্টিং ছিল। হঠাৎ এক দুর্ঘটনায় পরে যায় সে, যেই হাতকে সে পৃথিবীর সেরা শুটারের হাত বানাতে চেয়েছেন সেই হাত টাই গ্রেনেড বিস্ফোরণে উড়ে যায়। তার এতো বছরের সামর্থ্য, ইচ্ছা, শ্রম, স্বপ্ন সব কিছু এক মুহূর্তে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। তখন তার সামনে শুধু দুইটি রাস্তা খোলা ছিলো। হয় সারা জীবনের মতো একজন হেরে যাওয়া মানুষ হয়ে বেঁচে থাকা। না হয় সেই ভেঙ্গে যাওয়া স্বপ্নকে আবার জীবিত করা। পৃথিবীকে দেখাবে একটি অসম্ভাবকে কিভাবে সম্ভাব করবে তিনি। তার যেটা আছে সেটা নিয়েই আবার স্বপ্ন দেখা শুরু করলো, আর যেটা নেই সেটার দুঃখ ভুলতে শুরু করলেন।


যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প

এতো কিছুর পরেও সে একজন সেরা শুটার হতে চান তার কাছে স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখার মতো ছিল তার একটি হাত তথা তার বাম হাত। যে হাতে সে লিখতেও পারত না ক্ষতিগ্রস্ত হাতের চিকিৎসা চলে ১ মাস ধরে। 


তিনি আবার ট্রেনিং শুরু করে দেয়। 

এক বছর পরে ১৯৩৯ সাল তিনি আবার ফিরে আসে প্রতিযোগিতার মাঠে। হাংগেরিতে ন্যাশনাল শুটিং শুরু হয় সেখানে দেশের সেরা সেরা শুটার আসে প্রতিযোগিতার অন্যান্য শুটার তাকে দেখে অভিনন্দন জানায়। ক্যারলিকে দেখে সবাই বলে এই হলো আসল হিরো যে এই অবস্থায় আমাদের অনুপ্রেরণা দিতে এসেছে। মজার ব্যাপার হলো তখন কেউ জানে না যে ক্যারলিও একবছর শুটিং। করেছে। তাদের প্রতি উত্তরে ক্যারলি বলে আমি এখানে তোমাদেরকে অনুপ্রেরণা দিতে আসিনি আমি তোমাদের প্রতিযোগী।

অনুপ্রেরণার গল্প 

আরও পড়ুন; ভয়ংকর ভূতের গল্প

 প্রতিযোগিতা শুরু হলো সবাই নিজ নিজ শক্তি দিয়ে চেষ্টা করলো আর ক্যারলি তার বাম হাত দিয়েই শুটিং করলো। একহাতের দৃঢ় মনোবলই তাঁকে জয়ী বানিয়ে দিলো কিন্তু এখানেও সে থেমে থাকেনি কারন তার যে ইচ্ছা সে পৃথিবীর সেরা হবে। এর পরে সে ১৯৪০ সালের অলিম্পিকের জন্য মনোনিবেশ করে কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের কারনে বাতিল হয়ে যায়। সে তাকিয়ে থাকে ১৯৪৪ সালের দিকে কিন্তু সেটাও যুদ্ধের কারনেই বাতিল হয়ে যায়। তার সামনে এখন অপেক্ষা ১৯৪৮ সালের অলিম্পিকের দিকে। 

শিক্ষনীয় গল্প - উপদেশ মূলক গল্প 

যদিও ২৮ বছরের তরুন শুটারটি এখন ৩৮ বছর বয়সি হয়ে গেছে তরুন প্রতিযোগিতাদের সাথে টিকে থাকাটা তখন কঠিন হয়ে পরে। কিন্তু তার দৃঢ়তার কাছে সব কিছু তুচ্ছ বলে মনে হলো অলিম্পিক ঘিরে সারা দেশের বাঘা বাঘা শুটারদের সাথে এখন লড়তে হবে। আবার তার একহাতের দৃঢ় মনোবলই তাঁকে জয়ী বানিয়ে দিলো। তাও তিনি থামেন নি ১৯৫২ সালের আবার তিনি জয়ী হন পর পর চার বার তিনি অলিম্পিকের গোল্ড ম্যাডেল জিতেন।

সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প

 ব্যার্থতার হাজারটা কারন ও ওজুহাত থাকে কিন্তু সফলতার একটাই কারন ইচ্ছা শক্তি। ইচ্ছা শক্তি আপনাকে দিয়ে এমন কিছু করাতে পারে যা অপাত দৃষ্টিতে অসম্ভব। 


যারা বলেন আমার ইচ্ছা শক্তি আছে। কিন্তু করতে পারছি না,এর অর্থ আমার জানা মতে, আপনার ইচ্ছা শক্তি এখনও ততোটা শক্তি অর্জন করতে পারেনি যেটা দিয়ে কোনো কাজ করা সম্ভব।

আমাদের আরও একটি সাইট; WeBangali.Com 

Tuesday, February 16, 2021

জীবনে হার না মানার গল্প | Bangla Motivational Story | অন্তরের গল্প ২০২১

হার না মানার গল্প - অনুপ্রেরণামূলক গল্প

আরও পড়ুন; টমাস আলভার জীবনি

অনুপ্রেরণার গল্প 

 মাইকেল জেফরি জর্ডান জন্ম ১৭ই ফেব্রুয়ারি ১৯৬৩ সাল একজন অবসর প্রাপ্ত মার্কিন বাস্কেটবল খেলয়ার। তিনি তার প্রজন্মের সবথেকে শুনাম অর্জন কারি খেলয়ার যার খ্যাতি ১৯৮০-১৯৯০ এর ভিতরে ছড়িয়ে পরে। মাইকেলের জীবনে শুধু ব্যার্থতা যেনে অবাক হবেন এমন মানুষ কিভেবে জিবনে সফলতা পেলেন। 

অনুপ্রেরণার গল্প 

মাইকেলের ভাষায় তিনি ক্যারিয়ারে ৯০০০ হাজার শট মিস করেছে হেরে গিয়েছে ৩০০ শত গেমে, ২৬ বার উইনিং শট নেয়ার জন্য টিম তার উপরে ভরসা করতো কিন্তু সে বার বার ব্যার্থ হয়েছেন। মাইকেলের ভাষায়, আমি বার বার ব্যার্থ হয়েছি জন্যই আমি আজকে সফল। ১৯৭৮ সালে আমি Laney high school এর ছাত্র তখন ভার্সিটি বাস্কেটবল টিম ঘোষণা করা হলো। কিছু মানুষ আমার প্রতিভার কথা জানে আমি টিমে খেলার জন্য অধীর আগ্রহে দারিয়ে আছি অপেক্ষা করছি অথচ দেখা গেলো লিস্টে আমার নাম আসেনাই বলা হয়েছে জুনিয়র ভার্সিটি টিমে খেলতে হলে আরো পরিপক্ক হতে হবে। আমার খেলা নিয়ে কারো খারাপ মনভাব ছিল না তবে আমাকে খেলাতে না নেওয়ার পিছনে অন্য কোন কারন আছে। 

অনুপ্রেরণার গল্প 

ভার্সিটি টিম যখন ১১ সিনিয়র ও ৩ জন জুনিয়র প্লেয়ার ছিল যারা টিমের অংশ স্পেস বাকি শুধু একজন প্লেয়ারের চয়েস ছিলো আমি আর আমার বন্ধু লেরয় স্মিথের মধ্যে একজন। আমার হাইট ছিল ৫ ফিট ১০ সেখানে ৬ ফিট ৬ হলো স্মিথ। সবাই জানে বাস্কেটবল প্লেয়ার হাইট কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তাই আমি সুযোগ পেলাম না তীব্র আঘাতে ভেজ্ঞে যাওয়া বুক নিয়ে রুমে ফিরে দরজা বন্ধ করে অনেকটা কান্না করলাম। এই সময় আমি অভিমানে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমি খেলাই ছেড়ে দিবো।


আরও পড়ুন; মার্ক জাকারবার্গ এর সফলতার গল্প

অনুপ্রেরণার গল্প bd-express.top || অন্তরের গল্প
bangla inspiration story

অনুপ্রেরণার গল্প 


 কিন্তু আমার মা আমাকে অনেক বুঝিয়ে আবার খেলায় ফিরিয়ে আনলেন এবং আমি ফিরে এলাম একজন জয়ীর মতো করে। অনেক পরে জুনিয়ার ভার্সিটি টিমে অংশ নিয়ে বুক ভরা কষ্ট নিয়ে খেলতে শুরু করলাম। আমার নিজের মস্তিষ্ক এমন ভাবে তৈরি করলাম যেন আমি ব্যার্থ কে কাজে লাগিয়ে সফল হতে পারি। একটা কথা যারা গ্রেট তার ব্যার্থ কে অন্য ভাবে কাজে লাগান তারা খারাপ সময়ের হেরে যাওয়া কষ্টকে মনে রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যায়। 

অনুপ্রেরণার গল্প 

এই গুনটাই মাইকেল কে ভার্সিটি টিম থেকে টেস্ট টিম তার পরে NBA সফলতার চূড়ান্ত পর্যায় নিয়েছে। অসংখ্য রেকর্ড করেছেন তিনি বলা যায় NBA ইতিহাসে সবচেয়ে Decorated player তিনি। শুধু তাই নয় বাস্কেটবল পৃথিবীর বুকে জনপ্রিয় করার পিছনে তার হাতই সবথেকে বেশি অংশিদার। মাইকেল জর্ডান দেখিয়েছেন ব্যার্থতা থেকে কিভাবে বেরিয়ে সফল হতে হয়। 


অনুপ্রেরণার গল্প 


মাইকেল বলেন, যারা হাজারও কষ্টের মধ্য থেকে সূর্যের মতো জ্বলে উঠতে পারে তারাই প্রকৃত নায়ক। একাটা কথা মনে রাখবেন কেউ আপনার দুঃখের সময় পাশে না থাকলেও, আপানর সুখের সময় ঠিকই থাকবে তাই সাবধান। 


আরও পড়ুন ; বিল গেসটের সফলতার গল্প

অনুপ্রেরণার গল্প 

সবসময় নিজের মতো করে কাজটা ভালবাসেন কারোর কথায় না। আমরা জানি এই পৃথিবীতে শত ভাগের ভিতরে মাত্র একভাগ মানুষ সফল, এর কারন জানেন কি? কারন তারা তাদের মতো, কারোর কথায় তারা থেমে থাকে না। ভালবাসুন নিজের কাজকে আর সবাইকে অনুপ্রেরণা দিন।

অনুপ্রেরণার গল্প 

Monday, February 15, 2021

উপদেশ মূলক গল্প | উৎসাহ মুলক গল্প || bd-express (অন্তরের গল্প)

 আরও পড়ুন; টমাস আলভা এডিসনের সংক্ষিপ্ত জীবনি

অনুপ্রেরণার গল্প 

অনুপ্রেরণার গল্প bd-express.top(অন্তরের গল্প)
উপদেশমূলক গল্প 

অনুপ্রেরণার গল্প 

সর্বকালের সেরা উদ্যোক্তাদের মধ্যে স্টিভ জবস হলেন একজন। শুধু একটি কথা মনে রেখো আমি খুব তাড়াতাড়ি মরে যাবো এই কথাটি জীবনের সব থেকে বড় সিদ্ধান্ত গুলো নিতে সাহায্য করবে। কারন যখন আমি মৃত্যুর কথা ভেবে থাকি তখন সমস্ত গৌরব অহংকার হারিয়ে যায় শুধু সেটাই থাকে যেটা সত্যি আমার খুব প্রয়োজন। বিখ্যাত বানীটি করেছেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ অনুপ্রেরণা গল্পের এক দৃষ্টান্ত স্টিভ জবস। যিনি নিজের বুদ্ধি আর অক্লান্ত পরিশ্রম দ্বারা পৃথিবীর সব থেকে প্রভাবশালী কোম্পানি তৈরি করেছেন।

অনুপ্রেরণার গল্প 

স্টিভ জবস জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ফেব্রুয়ারি ২৪-১৯৫৫ সালে ক্যালিফোর্নিয়াতে তার মা ছিলেন একজন অবিবাহিত এবং কলেজ স্টুডেন্ট। তাই তাকে নিজের কাছে রাখতে পারেনি এবং তাকে একটি পরিবারের কাছে দত্তক দেওয়ার কথা ভাবে। পরে পলজবস ও ক্লিরাজবস একটি গরিব পরিবারের কাছে দিয়ে দেয় কিন্তু শর্ত রাখেন স্টিভকে উচ্চ শিক্ষা দিতে হবে এবং তারা সব কিছু মেনে নিয়ে স্টিভকে গ্রহণ করেন। পলজবস ও ক্লিরাজবস এর কাছে বেশি টাকা ছিলো না তাও তারা স্টিভ এর কোন চাওয়া অপূরণ রাখেন নি।

 

অনুপ্রেরণার গল্প 

জবসের প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয়েছিলো মন্টালমা স্কুল থেকে ১৯৭২ সালে ১৭ বছর বয়সে জবস খুব দামি কলেজে স্ট্যানফোর্ডে ভর্তি হন। পড়া-লেখা করাতে গিয়ে তার বাবা-মার সকল টাকা শেষ হয়ে যায় ৬ মাস পরে স্টিভ এর খুব কষ্ট হয় তার বাবা-মাকে দেখে। হতাস হয়ে তিনি কলেজ ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে এবং তার কাছে থাকার মত কোন বাড়ি ছিল না তাই তিনি তার এক বন্ধুর রুমের মেঝেতে ঘুমাতেন। কোল্ডিংস এর বোতল বিক্রি করে যা টাকা পেতেন সেটা দিয়ে খাবার খেতেন প্রতি রবিবারে ১১ কিলোমিটার রাস্তা হেঁটে একটা গির্জায় যেতেন ভালো খাবার খেতে। কিছুদিন পরে সে একটা ব্যাবসার কাজে লেগে পরেন এবং বাবার গ্যারেজে বসে তার এক বন্ধুর সাথে অপারেটিং সিস্টেম MAC-IN-TOSH তৈরি করেন। এর পর নিজের কঠোর পরিশ্রম দিয়ে ১৯৭৫ সালে ২০ বছর বয়সে অ্যাপল কোম্পানি তৈরি করেন। যা মাত্র ১০ বছর পর ৪ হাজার লোকের কোম্পানিতে পরিনত হয়ে যায় যার মূল্য দারায় ২ বিলিয়ন ডলার।

আরও পড়ুন; বিল গেসটের সংক্ষিপ্ত জীবনি

কিন্তু স্টিভ জবসের এই সফলতা তার জিবনে বেশি দিন টিকলো না। নিজের কোম্পানির পার্টনারদের সাথে মতের অমিলের কারনে কোম্পানির মার্কেট খারাপ হতে থাকে। কোম্পানির একটা বোর্ড মিটিং এ সকল দোষারোপ তার উপরে দেওয়া হয় এবং তাকে নিজের কোম্পানি থেকে ১৯৮৫ সালে বের করে দেওয়া হয়। এটিই ছিলো স্টিভ জবসের সব থেকে বড় দুঃখের সময়! কিছু দিন স্টিভ খুব কষ্টে কাটালেন এবং কষ্ট থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে PIXAR কোম্পানি তৈরি করেন। পিকচার পৃথিবীর প্রথম এনিমেশন মুভি টয়স্টরি তৈরি করে, বর্তমান পিকচার পৃথিবীর সব থেকে বড় এনিমেশন স্টুডিও।



অনুপ্রেরণার গল্প 

এর কিছু দিন পরে জবস APPLE কোম্পানিকে ক্রয় করে নেন। এইভাবেই জবস তার আগের কোম্পানিতে ফিরে আসেন এবং অ্যাপল কোম্পানির CEO হয়ে যান। তিনি মনে করেন প্রোডাক্ট Quantity নয় Quality উপরে নজর দিয়ে হবে। ৫ অক্টোবর ২০১১ কান্সারের কারনে ক্যালিফোর্নিয়াতে মৃত্যু বরন করেন। তিনি বলেছিলেন যে "" যারা পাগলের মত মনে করে পৃথিবীকে পালটাতে পারবে তারাই পালটাতে পারে।""

অনুপ্রেরণার গল্প 

আমরা এই গল্প থেকে কি বুঝতে পারি,,,? একটি মানুষ কত বার ব্যার্থ হবার পরেও সে হাল ছেড়ে না দিয়ে কঠোর পরিশ্রম করে নিজেকে সেরা করেছেন। কখনোই নিজের জীবনকে বৃথা ভাবেনি সময়ের সাথে যুদ্ধ করে সপ্নকে সত্যি বলে রূপ দিয়েছেন। আমাদের সকল দুঃখ কষ্ট থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা উচিৎ নিজেকে বুঝাতে হবে আমাকে পারতেই হবে, কেন আমি পারব না। স্বপ্ন দেখেন বড় বড় আর অনেক ছোট ছোট কাজ দিয়ে শুরু করেন কিছু করুন আগামি কালের জন্য। যারা আজ আপনাকে নিয়ে উপহাস করে  তাদেরকে দেখিয়ে দিন আপনি কি করতে পারেন।


আরও পড়ুন; মার্ক জাকারবার্গ এর ব্যার্থ তার গল্প

অনুপ্রেরণার গল্প 

স্টিভ বলেছেন আমাদের সব থেকে বড় সমস্যা হচ্ছে আমরা অল্পতেই বিশ্বাস হারিয়ে ফেলি অন্তত নিজের উপরে বিশ্বাস রেখে এগিয়ে যান। আপনি আজ থেকে নিজেকে নিয়ে ভাবুন, কি করছেন নিজের জন্য? আপনি আপনার মধ্য থেকে জ্বলে উঠুন।

অনুপ্রেরণার গল্প