ঘুরে এলেম রাজশাহী চিরা খানা ও বোটানিক্যাল গার্ডেন থেকে।
![]() |
| Bangla Journey Story |
আরও পড়ুন ; না বলা ভালোবাসার গল্প
এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান বোটানিক্যাল গার্ডেন ও চিড়া খানা
আজকের দিন টা হয়তো ভালোই কাটবে। কেননা আজ আমার স্কুল থেকে বার্ষিক শিক্ষা সফরে যাচ্ছি। আর যেখানে যাচ্ছি সেই স্থান টির নাম হলো রাজশাহী চিরা খানা ও বোটানিক্যাল গার্ডেন। এইজন্য সেদিন খুব সকাল সকাল আমরা স্কুলে রওনা দি। কেননা আমরা স্কুল থেকে বাসে করে রাজশাহীতে যাব।আমাদের সাথে আমাদের স্কুলের সকল শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রী ও স্কুলের শ্রদ্ধেয় শিক্ষা ও শিক্ষিকা সেখানে যায়। আমাদের জন্য মোট ৩ টি গাড়ি ভাড়া করা হয়। এবং গাড়ি গুলো ঠিক সকাল সারে আট টার দিকে স্কুল থেকে রাজশাহীর পথে রওনা শুরু করে। আমরা সবাই বাসের মধ্যে অনেক মজা করেছিলাম। বাসের মধ্যে বিভিন্ন গান বাজনা হয়।এভাবেই আমাদের যাত্রা শুরু হয় সেখানে।
স্কুল লাইফের ভ্রমণ কাহিনি
দীর্ঘ ৬ ঘন্টা পর ঠিক দুপুর টাইমের সময় আমাদের গাড়ি টি রাজশাহীতে পৌঁছায়।এরপর আমরা আমাদের নিজের জন্য টিকিট কিনি।প্রতি টি টিকিটের মূল্য মাত্র ২৫ টাকা।টিকিট ক্রয়ের পরে সবাই সেই চিড়িয়াখানার মধ্যে ঠুকলাম। সেখানে গিয়ে দেখি কত লোক জন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই লোক জন এসেছে। এরপর আমরা চিড়িয়াখানা বিভিন্ন পশু পাখি দেখি এর মধ্যে যেমন - বাঘ,হরিণ,কুমির,ময়ুর,সাপ,বিভিন্ন জাতের পাখি ইত্যাদি। এরপর চিড়িয়াখানা দেখার পর সোজা চলে গেলাম বোটানিক্যাল গার্ডেনে। গার্ডেন টি ছিল বিশাল বড়।এর মধ্যে অনেক গুলি রাস্তা আছে।কত লোক জন দেখি ঘুরে বেরাচ্ছে কেউ বসে আছে আবার খাওয়া দাওয়া করছে ও কেউ বা রান্নার কাজে ব্যাস্ত আছে ।
আমি আর বন্ধু মিলে পুরো গার্ডেন টি আমরা ঘুরে দেখি।আর সেখানে আমরা বিভিন্ন ধরনের খেলনা খাবার দেখতে পায়। সেখানে আমরা চটপট,ফুসকা,বার্গার, এবং অনেক ধরনের আইসক্রিম খেয়ে ছিলাম। এছাড়াও আমরা বিভিন্ন ধরনের আচার খেয়েছিলাম। গার্ডেন টি ঘুরতে ঘুরতে আমাদের পায়ের অবস্থা খুবই খারাপ। কেননা আমরা জুতা পরেছিলা আর জুতা পরে বেশি মাত্রায় হাটাহাটি করার জন্য আমাদের পায়ের আংগুল গুলো ব্যাথা হয়ে যায়। তারপর থেকে আমরা আমাদের জুতা খুলে খালি পায়ে ঘুরতে থাকি।
কিছুক্ষন পরে আমাদের সবাইকে খাবার খাওয়ার জন্য ডাকে। আমরা সবাই একসাথে মাটিতে তিরপল পেরে বসে পরি। আমাদের খাওয়ার রেসিপি তে ছিলো ভাত,ডাল,মাংস,সবজির সালাট,আর অনান্য সবজি। এরপর খাওয়া দাওয়া শেষে সেখানে আরও কিছু খুন থাকি।তারপর বেরিয়ে পড়লাম রাজশাহীর অন্য একটি পার্কে।আমাদের বাস গাড়িতে ৩০ মিনিট লাগলো সেখানে পৌঁছাতে। এর মধ্যে আমার মোবাইলে চার্জ প্রায় শেষ। আমাদের কাছে পাওয়ার ব্যাংক আছে কিন্তু ক্যাবল নেই।এজন্য আমি আর এক বন্ধু বাস থেকে দোকানের যায়। আর বাকি লোক সব ওখানে ২০ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে ডুকছে পার্কের ভেতরে।
স্কুল জীবনের মজার মুহূর্ত
আমি আর বন্ধু দোকানে যাবার জন্য আমাদের অনেক দেরি হয়ে যায়।তাই সামনের গেটে না গিয়ে পিছনের গেট দিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। এবং সেখানে গিয়ে দেখি গেটে কোন লোক নেই এবং গেটটাও খোলা পরে আছে। তারপর আমি আর বন্ধুর টিকিট ছাড়ায় পার্কের মধ্যে যায়। সেখানে কিছু ছবি তুলে আর কিছু জিনিস দেখে তারা তারি বাসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করি।কারণ তখন সন্ধ্যা ৫ টা বাজে। আমাদের বাস টি আমাদের স্কুলে পৌঁছাতে ৬-৭ ঘন্টা লাগবে। তাই একটু আগে আগেই আমাদের বাস টি রওনা শুরু করে। কারণ আমাদের সাথে বিভিন্ন শ্রেণির ছেলে মেয়ে ছিল তারা খুবই ছোট আর তাদের বাসাটাও অনেক দূরে এজন্য। এরপর আমরা সবাই ক্লান্ত ছিলাম তাই বাসের মধ্যে তেমন কোনো হৈয়চৈয় হয়নি।
আরও পড়ুন ; না বলা ভালোবাসার গল্প
ঠিক রাত ১০ বা ১১ টা বাজে তখন আমাদের বাসটি আমাদের স্কুলে পৌঁছায়।এবং সেখানে সবাই-ই সবাই কে বিদায় দিয়ে স্কুল থেকে সবাই তাদের নিজ নিজ বাসার উদ্দেশ্য রওনা শুরু করে।
এভাবেই সেদিন আমরা সফল ভাবে রাজশাহী ভ্রমণ করে ছিলাম
তো পাঠকগন আমাদের গল্পটি কেমন লেগেছে তা নিচে কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন। আর আপনার নিজের লেখা কোনো আর্টিকেল আমাদের ব্লগে ফ্রী তে প্রকাশ করাতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ। ধন্যবাদ সবাইকে

0 Comments:
⚠️ এমন কোনো মন্তব্য করবেন না যাতে, অন্য কোনো ব্যাক্তির সমস্যা হয়।